‘মদ খেয়ে নেশা করে কখনো ফ্লোরে আসবে না’, অভ্রজিতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জিতুর - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, April 6, 2026

‘মদ খেয়ে নেশা করে কখনো ফ্লোরে আসবে না’, অভ্রজিতের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ জিতুর



প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ৬ এপ্রিল : রাহুলের মৃত্যুর পর থেকেই যেন নড়েচড়ে বসেছে গোটা টলিউড। প্রোডাকশন হাউজের গাফিলতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক শিল্পী। তবে রাহুলের মৃত্যুতে যে মানুষটি সবথেকে বেশি প্রশ্ন তুলেছেন তিনি হলেন অভিনেতা জীতু কমল। ঘটনাটি ঘটার পর থেকে তিনি বারবার বলেছেন, যে দুর্ঘটনা রাহুলের সঙ্গে ঘটে গিয়েছে, তাঁর সঙ্গেও ঘটতে পারত!



এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় জীতু তাঁর সমস্ত ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন আর্টিস্ট ফোরামের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি টেকনিশিয়ান স্টুডিও থেকে প্রতিবাদ মিছিলের ডাকে রাহুলের ছবির পাশে নিজের সাদাকালো ছবিতে রজনীগন্ধার মালা পরিয়ে রেখেছিলেন জিতু। আর্টিস্ট ফোরাম মৃত অভিনেতার জন্য প্রতিবাদ করছে অথচ, জীবিত অভিনেতারা মৃত্যুর মুখে পড়লে তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে না। জিতুকে এদিন দেখা যায় টেকনিশিয়ান স্টুডিওর গাছতলায় বসে এই অভিনব প্রতিবাদ করতে।


তবে জিতুর এই কাণ্ডকে একেবারেই ভাল চোখে দেখেননি অভিনেতা অভ্রজিৎ চক্রবর্তী। তাঁকে দর্শক দেখছেন জি বাংলার ধারাবাহিক ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’-এ ‘কিঙ্কর’-এর চরিত্রে। অভ্রজিৎ জিতুর নাম না নিয়েই সমাজমাধ্যমে ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট করেন। তবে অভ্রজিৎ-এর এই পোস্টের জোরালো প্রতিবাদ করেছেন জিতু।


অভ্রজিৎ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে জিতু পোস্টে লেখেন, “আচ্ছা তুমি কথা দাও তুমি মদ খেয়ে, নেশা করে কখনো ফ্লোরে আসবে না। ফ্লোরে টলোমলো পায়ে পড়ে যাবে না। স্থান-কাল পাত্র বুঝে মদ খাবে, কথা দাও। নেশা কেটে যাওয়ার পর,একাকী সরি বলবে না। বলবে না “মন থেকে তোকে ভালোবেসে লিখি”

আচ্ছা আমি যখন হসপিটালে ছিলাম তখন তোমার মনে হয়েছে,আমার মায়ের চোখে মুখে কতটা আশঙ্কা ছিল, কতটা কষ্ট ছিল যে,আজকে আমার ছেলেটার শ্বাসনালীতে এত বড় একটা প্রবলেম হলো। সে আবার চলে গেল সেই শুটিংয়ে যেখানে আবার শ্বাসনালীতে প্রবলেম হতে পারে,যেখানে তোমাদের সেক্রেটারি উপস্থিত ছিলো,যে তোমাকে এই কথাগুলো বলতে বলছে। ট্র্যাকশুট আর টি-শার্ট পরে রবীন্দ্রনাথের বক্তব্য শুনতে যাওয়া একটা বিপ্লবের নাম, বলতো কে করেছিল? আশা করি জানো না। বাংলার ইতিহাস পড়ো,ভারতবর্ষের ইতিহাস পড়ো।শুধুমাত্র মদ খাওয়ার স্বাধীনতা নিয়ে ঘুরে বেড়িও না।


“শিকল সোনার হোক বা লোহার দুটোই দাসত্বের”

সংগ্রাম বা বিপ্লবের কোন সঠিক স্থান-কাল-পাত্র হয় না।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad