ন্যাশনাল ডেস্ক, ২২ মে ২০২৬: আগামী ২৭শে মে বকরি ঈদ। এর আগে দিল্লী সরকার সমগ্র রাজধানীতে জনশৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে কঠোর নির্দেশিকা জারি করেছে। দিল্লীর মন্ত্রী কপিল মিশ্র সতর্ক করেছেন যে, পশু কোরবানি এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নিয়মাবলী লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর ফৌজদারি ব্যবস্থা নেবে।
কপিল মিশ্র বলেন, দেশের রাজধানীতে গরু, বাছুর, উট এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ পশু কোরবানি করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং নিয়ম লঙ্ঘনকারীদের আইনি পরিণতির সম্মুখীন হতে হবে।
মিশ্র বলেন, "দিল্লী সরকারের উন্নয়ন মন্ত্রক আসন্ন বকরি ঈদ উৎসবের জন্য কিছু নির্দেশনা জারি করেছে। বকরি ঈদ উপলক্ষে দিল্লীতে গরু, বাছুর, উট এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ পশু কোরবানি করা সম্পূর্ণ অবৈধ এবং যে কেউ এটি করলে বা করার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ আনা হবে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
তিনি আরও বলেন যে, প্রকাশ্য স্থানে পশু কোরবানি এবং রাস্তায় ও আবাসিক এলাকায় অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা করার অনুমতি দেওয়া হবে না। এছাড়াও, জনসমক্ষে পশু কোরবানি করাও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং যারা তা করবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি, বাজারে অবৈধভাবে পশু কেনাবেচা, রাস্তা ও গলিতে হাট বসানো এবং পশু কেনাবেচাও সম্পূর্ণ বেআইনি ও অননুমোদিত," তিনি বলেন।
মন্ত্রী কোরবানির পর পশুর বর্জ্য ও রক্তের অনুপযুক্ত নিষ্কাশনের বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, "কোরবানির পর নর্দমা, পয়ঃপ্রণালী বা রাস্তায় রক্ত ফেলা অথবা বর্জ্য পয়ঃপ্রণালী বা নর্দমায় ফেলাও কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কোরবানি শুধুমাত্র নির্ধারিত স্থানে এবং শুধুমাত্র অনুমোদিত স্থানেই করা উচিৎ।"
তিনি নাগরিকদের নিয়ম লঙ্ঘনের ঘটনা পুলিশ এবং উন্নয়ন বিভাগে জানানোর জন্য অনুরোধ করেন। মন্ত্রী বলেন, "যদি আপনারা কাউকে এই নির্দেশিকা লঙ্ঘন করতে দেখেন, তবে আপনারা পুলিশ এবং দিল্লী সরকারের উন্নয়ন বিভাগে তাদের সম্পর্কে জানাতে পারেন।"

No comments:
Post a Comment