'ওখানেই গরু-ছাগলের মত থাকবে, মারা যাবে', অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, May 29, 2026

'ওখানেই গরু-ছাগলের মত থাকবে, মারা যাবে', অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ


কলকাতা: 'যে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ওখানে মাস মাস পচতে হবে ওঁদেরকে', অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সুর চড়ান মন্ত্রী। 


দিলীপ ঘোষ বলেন, "যে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে ওখানে মাস মাস পচতে হবে ওঁদেরকে। না খেয়ে থাকবে, অসুস্থ হয়ে মরবে সব। কারণ আমরা কোনও দায় নেব না। ভালোয় ভালোয় চলে যান।” উল্লেখ্য, অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠাতে থ্রিডি অ্যাকশন শুরু করেছে সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ইতিমধ্যেই ধৃত বাংলাদেশি-রোহিঙ্গাদের রাখতে জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টার তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। সেখানেই আপাতত থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাদের জন্য। তবে এটা বেশিদিন চলবে না বলেও জানিয়ে দিলেন মন্ত্রী। 


তিনি বলেন, “যদি পাকিস্তান থেকে ৬ লক্ষের বেশি আফগানিস্তানিকে ফেরত পাঠাতে পারে, একটা মুসলিম দেশ থেকে আরেক মুসলিম দেশে। এখানে তো ওঁরা (বাংলাদেশি) অবৈধভাবে এসেছেন। হয় সারাজীবন জেলে থাকতে হবে, নয়তো ওখানেই গরু-ছাগলের মত থাকবে, মারা যাবে। তার চেয়ে ভালো নিজের দেশে ফিরে যাও সময় থাকতে।”


তাঁর স্পষ্ট বার্তা, "সরকার যখন ব্যবস্থা নেবে, কোনও দিকে তাকাবে না। হোল্ডিং সেন্টারে সরকারের তরফে খাওয়ানো ভালো আয়োজন প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আয়োজন কতদিন চলবে? সরকার কেন এদেরকে খাওয়াবে? প্রথম ডিম-মাছ-ভাত হবে, তারপর ডিম বাদ যাবে, শাক-ভাত হবে, তারপর শাক বাদ যাবে, ভাত হবে। তারপর ডাণ্ডা পড়বে। এই লক্ষ লক্ষ লোককে খাওয়ানোর দায়িত্ব আমাদের সরকারের নয়। সেজন্য ভালোয় ভালোয় চলে যান। নাহলে কপালে কী আছে কেউ জানে না।"


উল্লেখ্য, অনুপ্রবেশ নিয়ে রাজ্য সরকার কড়া অবস্থান নিয়েছে। এরপর থেকেই সীমান্তে ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শুক্রবারই ৮০ জনের মতো অনুপ্রবেশকারী হাকিমপুর সীমান্তের চেকপোস্টে হাজির হন। তবে, এদিন কাউকেই সীমান্ত পারে যেতে দেওয়া হয়নি। বিকেলের দিকে পুলিশ ও প্রশাসনের উদ্যোগে সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদের নিয়ে যাওয়া হয় হোল্ডিং সেন্টারে। 


উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে তিনটি জায়গায় হোল্ডিং সেন্টার করা হয়েছে। সেন্টারগুলি করা হয়েছে তেঁতুলিয়া পথের সাথী, মেদিয়া ও চারঘাট এলাকায়। মঙ্গলবার হাকিমপুর সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদের রাতেই পুলিশ নিয়ে যায় হোল্ডিং সেন্টারে। ১১ টা জেলায় হোল্ডিং সেন্টার খোলা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় রোজই ধরা পড়ছে, কীভাবে নিত্যদিন ভিড় জমছে হোল্ডিং সেন্টারগুলোতে। সেই নিয়েই চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ শানালেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad