ভারতে নিষিদ্ধ হল 'ককরোচ জনতা পার্টি'র এক্স হ্যান্ডেল, জনপ্রিয়তার জেরেই কী কোপ? - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Thursday, May 21, 2026

ভারতে নিষিদ্ধ হল 'ককরোচ জনতা পার্টি'র এক্স হ্যান্ডেল, জনপ্রিয়তার জেরেই কী কোপ?


ন্যাশনাল ডেস্ক, ২১ মে ২০২৬: ভারতে নিষিদ্ধ হল 'ককরোচ জনতা পার্টি'র এক্স হ্যান্ডেল। মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল এই ককরোচ জনতা পার্টি। 


ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে এই বিষয়ে তথ্য দেন। অভিজিৎ লিখেছেন, "যেমনটা প্রত্যাশা করা হয়েছিল, ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির অ্যাকাউন্টটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।"


পাশাপাশি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিওবার্তা পোস্ট করেছেন অভিজিৎ, যাতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “যা ভয় পেয়েছিলাম, তাই হল। প্রথমে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করার চেষ্টা করে। হ্যাক করতে না পেরে ভারতে আমাদের এক্স হ্যান্ডল নিষিদ্ধ হল। সকলে গিয়ে দেখতে পারেন। ভারতের কেউ দেখতে পারছেন না। আপনারা সকলে সরব হন। প্রশ্ন করুন কেন নিষিদ্ধ করা হল। আমরা অন্যায় কিছু তো লিখিনি! এক পড়ুয়া আত্মহত্যা করেছে। আমরা শুধু মন্ত্রীর পদত্যাগ চেয়েছিলাম। চেয়েছিলাম সরকার দায় নিক। তাতেই অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ করে দিল।"



অভিজিৎ জানান যে, ককরোচ জনতা পার্টির এক্স অ্যাকাউন্টটি ১৬ই মে চালু করা হয়েছিল এবং চার দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধ করা হয়। অভিজিতের দাবী, এর কারণ হল অ্যাকাউন্টটিতে ২ লক্ষেরও বেশি ফলোয়ার জমা হয়ে গিয়েছিল।


অভিজিৎ এক্স-এ জানান যে, এখন ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলটি হ্যাক করার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি এও জানান যে, এক্স-এ একটি নতুন হ্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। তিনি সবাইকে এই হ্যান্ডেলটি ফলো করার জন্য অনুরোধ করেছেন।


কয়েক দিনের মধ্যেই ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) ইনস্টাগ্রামে অনুসারীর সংখ্যার দিক থেকে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং কংগ্রেসকে ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার ইনস্টাগ্রামে তাদের অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৪০ লাখের গণ্ডি পেরোয়, যেখানে বিজেপির অফিশিয়াল অ্যাকাউন্টে অনুসারীর সংখ্যা ৮৭ লাখ এবং কংগ্রেসের ১ কোটি ৩৩ লাখ।


সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত একটি মামলার শুনানির সময় এমন একটি মন্তব্য করেন, যা তাঁর বিরুদ্ধে একটি অনলাইন প্রচারণার জন্ম দেয়। এর পরেই ককরোচ জনতা পার্টির 'এক্স' নামের একটি হ্যান্ডেল তৈরি করা হয় এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে নিজেদের উপস্থিতি প্রতিষ্ঠা করা হয়।


কয়েক দিনের মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে তাদের লক্ষ লক্ষ অনুসারী তৈরি হয় এবং মানুষ বেকারত্ব, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বাকস্বাধীনতার মতো বিষয় নিয়ে পোস্ট করতে শুরু করেন। যদিও প্রধান বিচারপতি পরে একটি স্পষ্টীকরণ জারি করে জানান যে, তাঁর বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তবুও অনলাইন প্রতিক্রিয়া কমেনি এবং মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ায় ককরোচ জনতা পার্টির হ্যান্ডেলগুলো অনুসরণ করতে থাকে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad