মমতা-সহ ৫ জনকে আইনি নোটিশ কাকলি-পুত্র বৈদ্যনাথের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, June 14, 2026

মমতা-সহ ৫ জনকে আইনি নোটিশ কাকলি-পুত্র বৈদ্যনাথের


কলকাতা: প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। মমতা-সহ ৫ জনকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। উল্লেখ্য, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ছেলে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার। ছাব্বিশের নির্বাচনে বারাসত বিধানসভা আসনে বৈদ্যনাথের জন্য কাকলি টিকিট চেয়েছিলেন বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন তৃণমূলের এই নেতা-নেত্রীরা। ছেলেকে টিকিট না দেওয়াতেই কাকলি রাজনৈতিক অবস্থান বদলান বলে তাঁরা তোপ দাগেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে আইনি নোটিশ পাঠালেন কাকলি-পুত্র। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মিথ্যে কথা বলছেন বলেই দাবী করেন তিনি। 


বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার যে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন, সেখানে মমতা ছাড়া বাকি চারজনের মধ্যে তিনজন লোকসভার সাংসদ। এঁরা হলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায় এবং মহুয়া মৈত্র। এছাড়া আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে সোনালি গুহকে। নিঃশর্ত ক্ষমা না চাইলে মানহানি মামলার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে নোটিশে। 


ওই নোটিশে বলা হয়েছে, "বিদেশে একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন বৈদ্যনাথ। নোটিশে বৈদ্যনাথ ঘোষ দস্তিদার বারাসত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিধায়ক টিকিট চাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এবং বলেছেন যে, এ বিষয়ে তাঁর কোনও রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল না। তিনি এই নোটিশ প্রাপ্তির পনেরো দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে স্পষ্টীকরণ এবং ক্ষমা চাওয়ার দাবী করেছেন, যেখানে স্বীকার করতে হবে যে, তিনি বারাসাত বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কোনও রাজনৈতিক মনোনয়ন চাননি বা আকাঙ্ক্ষাও করেননি এবং তাঁর ব্যক্তিগত আচরণ বা চরিত্র সম্পর্কে করা যেকোনও মিথ্যা বিবৃতি সংশোধন করতে হবে।"


মমতাকে আইনি নোটিশ পাঠানো নিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বৈদ্যনাথ বলেন, “আমাদের রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা দেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘আমার দলের একজন সাংসদ বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন এবং তিনি তৃণমূলের সংসদীয় দলকে ভাঙবার চেষ্টা করছেন'। তারপরই তিনি বলেন, 'সেই সাংসদের প্রতি আমার একমাত্র অপরাধ হয়েছে যে তাঁর ছেলের জন্য টিকিট চেয়েছিলেন, আমি দিইনি'। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটা বলেছিলেন।"


তিনি আরও বলেন, "ওই সাংসদ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দাবী করেছেন। চাইলে দল ছেড়ে যেতে পারেন। ওই ভিডিও বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার কিংবা মায়ের নাম নেননি। কিন্তু, কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পান আমার মা। ফলে তিনি যে আমাদের কথা বলছেন সেটা স্পষ্ট। ভদ্রতার খাতিরে আমি এতদিন চুপ ছিলাম। কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একশো শতাংশ মিথ্যে কথা বলছেন। তাই, আইনি নোটিশ পাঠিয়েছি।”

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad