বিনোদন ডেস্ক, ২৯ জুন ২০২৬: বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী কার্ত্তিক মাসের শেষ দিন (সংক্রান্তি) দেব সেনাপতি কার্ত্তিকের আরাধনা করা হয়। সন্তানলাভের কামনায় ও পরিবারের মঙ্গলার্থে গৃহস্থ বাড়িতে এই পুজো অনুষ্ঠিত হয়। কাটোয়া ও বাঁশবেড়িয়ায় এটি অত্যন্ত ধুমধামের সাথে পালিত হয়।
কার্ত্তিক পুজোর প্রধান রীতিনীতি ও নিয়মাবলি:
সময়কাল: সাধারণত কার্ত্তিক সংক্রান্তির দিন এই পুজো হয়।
সন্তানলাভের কামনা: নিঃসন্তান বা নববিবাহিত দম্পতিদের ঘরে পরিচিতরা মজার ছলে কার্ত্তিক ঠাকুর রেখে যান এবং তারপর দম্পতিরা একসঙ্গে এই পুজোর আয়োজন করেন।
উপকরণ: পুজোর জন্য পাঁচটি গোটা ফল, মিষ্টি বা পায়েস নিবেদন করা হয়। এ ছাড়াও ঠাকুরের সামনে বাঁশি, তীর-ধনুক ও ছোট বাচ্চাদের জামা রাখা শুভ বলে মনে করা হয়।
ফুল: কার্ত্তিক ঠাকুরের প্রিয় ফুল রক্তকরবী।
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী কার্ত্তিক পুজোর বেশ কয়েকটি নিয়ম মানা প্রয়োজন। নইলে উপকার পাওয়া যায় না। যেমন -
- প্রবেশপথে কার্ত্তিক ঠাকুর দেখে বিরক্ত হবেন না। পরিবর্তে তড়িঘড়ি ঠাকুর বাড়িতে ঢুকিয়ে নিন। পুজোর আয়োজন শুরু করুন।
- স্বামী, স্ত্রী একা একা কার্ত্তিক পুজো করবেন না। দম্পতিরা একসঙ্গে পুজো করুন। নইলে সুফল পাওয়া যাবে না।
- পুরোহিতের কথামতো পুজোর আয়োজন করতে পারলে খুবই ভালো। আর না পারলে অবশ্যই পাঁচ রকমের ফল কিনুন। সঙ্গে মিষ্টি নিবেদন করুন। আর হ্যাঁ, কার্ত্তিক ঠাকুরকে খেলনা অর্পণ করুন।
- কার্ত্তিক ঠাকুরের পছন্দের ফুল যেহেতু রক্তকরবী, তাই এই ফুলেই পুজোর চেষ্টা করা ভালো। কিন্তু একান্তই যদি এই ফুল না পাওয়া যায় তাহলে সাদা বা হলুদ করবী দিয়েও পুজো করতে পারেন।
বি.দ্র: এখানে দেওয়া তথ্য সাধারণ বিশ্বাস ও মান্যতার ওপর ভিত্তি করে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।

No comments:
Post a Comment