এই মন্দিরে গেলেই সেরে যায় ডায়াবেটিস, পিঁপড়েরাই দেখায় আশার আলো - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, June 29, 2026

এই মন্দিরে গেলেই সেরে যায় ডায়াবেটিস, পিঁপড়েরাই দেখায় আশার আলো


বিনোদন ডেস্ক, ২৯ জুন ২০২৬: সংসারে সুখ-শান্তি সুস্বাস্থ্য ও সন্তান কামনায় মানুষ ঈশ্বরের দ্বারস্থ হন। পাশাপাশি নানান রোগভোগ থেকেও মুক্তি চায় প্রায়শই। কিন্তু জানেন কী এমন এক মন্দির রয়েছে, যেখানে মানুষ যান কেবলমাত্র ডায়াবেটিস সারাতে? শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। দক্ষিণ ভারতে তামিলনাড়ুতে রয়েছে এই মন্দির, যেখানে আগত ভক্তদের কামনাই থাকে কেবল ব্লাড সুগার থেকে মুক্তির! তামিলনাড়ুর কোইলভেন্নি গ্রামের প্রাচীন সেই মন্দিরে নাম মানুষের মুখে মুখে। এই মন্দিরের নামই হয়ে গিয়েছে ‘ডায়বেটিস মন্দির’। 


স্থানীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মন্দিরে বিশেষ একটি আচার পালন করলে রক্তে শর্করার যাবতীয় সমস্যা কমতে পারে। এখানে ঈশ্বরের উদ্দেশ্যে ভক্তরা শুধুমাত্র গুড় নিবেদন করেন।


এই মন্দিরের আসল নাম কারুম্বেশ্বরর মন্দির। তামিল সন্ত তিরুজ্ঞানাসম্বন্দর ও তিরুনাভুক্কারাসর তাঁদের ভক্তিগীতিতে যে ২৭৫টি পাড়ল পেত্রা স্থলম অর্থাৎ পবিত্র শিবমন্দিরের কথা উল্লেখ করেছেন, তার মধ্যে এটি অন্যতম। ঈশ্বর ছাড়াও এই মন্দিরে লক্ষাধিক পিঁপড়ের বাস। বহু বছর ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ প্রাচীন এই মন্দিরে আসেন প্রার্থনা করতে।


স্থানীয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী, ডায়াবেটিস সারাতে চাইলে গুড় হাতে আসতে হয় এই মন্দিরে। নিবেদন করার পর সেই গুড় যদি মন্দিরে উপস্থিত পিঁপড়েরা খায় অথবা বহন করে নিয়ে যায়, তা শুভ লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ‘মিষ্টতা’ বা রক্তে শর্করা প্রতীকীভাবে দূর হয়ে যায়।


আর এই কারণেই বছরের পর বছর ধরে মন্দিরটির আধ্যাত্মিক খ্যাতি বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। যদিও এর কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে, এই মন্দিরটি একটি আকর্ষণীয় উদাহরণ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে যে কীভাবে বিশ্বাস, লোককথা এবং ভ্রমণ ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলকে গড়ে তুলেছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad