সোনাম-রাজা, কেতন-সিয়ার পর গীতা-শক্তি কাণ্ড! স্বামীর মাথায় মেরে দেহ ফেলা হল ক্ষেতে - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, June 26, 2026

সোনাম-রাজা, কেতন-সিয়ার পর গীতা-শক্তি কাণ্ড! স্বামীর মাথায় মেরে দেহ ফেলা হল ক্ষেতে


ন্যাশনাল ডেস্ক, ২৬ জুন ২০২৬: সম্প্রতি দেশ জুড়ে হওয়া একের পর এক হত্যাকাণ্ড সকলকে চমকে দিয়েছে। সোনাম-রাজা থেকে নীল ড্রাম, এরপর অতি সম্প্রতি কেতন হত্যাকাণ্ডের রেশ এখনও তরতাজা। এরই মধ্যে ওড়িশার ঝাড়সুগুড়া জেলায় ঘটেছে আরও এক নৃশংস ঘটনা। স্বামীকে খুনের অভিযোগে গ্ৰেফতার এক মহিলা ও তার পুরুষ বন্ধুকে। পুলিশের মতে, খুনের পর তারা একটি ক্ষেতে দেহ ফেলে দিয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।


পুনের কেতন আগরওয়াল হত্যাকাণ্ড এবং ইন্দোরের রাজা রঘুবংশী হত্যাকাণ্ড ইতিমধ্যেই খবরের শিরোনামে রয়েছে। এরই মাঝে এই ঘটনা।‌ ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়সুগুড়া জেলার রেঙ্গালি থানা এলাকার তুঙ্গুরিপাড়া গ্রামে। মৃত ব্যক্তির নাম শক্তিধর সাহু বলে জানা গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে অজানা কারণে শক্তিধর সাহু এবং তাঁর স্ত্রী গীতা মিরধার মধ্যে তীব্র বাদানুবাদ হয়। গীতার পুরুষ বন্ধু টিকিনু কিষাণও সেইসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তর্কাতর্কিতে ক্ষুব্ধ হয়ে টিকিনু কিষাণ শক্তিধরের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় শক্তিধর মাটিতে পড়ে যান। অভিযোগ, এরপর গীতা মিরধা একটি কাঠের লাঠি দিয়ে তার মাথায় সজোরে আঘাত করেন।


প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণে শক্তিধর ঘটনাস্থলেই মারা যান। পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, খুনের পর গীতা ও টিকিনু একসঙ্গে মৃতদেহটি তুলে গ্রামের একটি ক্ষেতে ফেলে দেয়, যাতে কেউ ঘটনাটি জানতে না পারেন। পরে, স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। মৃতদেহটি হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং মামলাটির তদন্ত শুরু করা হয়।


তদন্তকালে পুলিশ এমন প্রমাণ খুঁজে পায় যাতে গীতা মিরধা এবং টিকিনুর ভূমিকা সামনে আসে। এরপর দুজনকেই গ্রেফতারর করা হয়। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর পুলিশ দুই অভিযুক্তকে আদালতে হাজির করে। বর্তমানে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য তদন্ত করছে।


সম্প্রতি, স্বামী-স্ত্রী এবং একজন তৃতীয় পক্ষের জড়িত থাকার বেশ কয়েকটি চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা জনসমক্ষে এসেছে। ঝাড়সুগুড়ার এই ঘটনাটিও একই ধরণের অভিযোগের কারণে খবরে রয়েছে। তবে, এই মামলায় পুলিশের তদন্ত এখনও চলছে এবং হত্যাকাণ্ডের আসল কারণ উদঘাটন করা হচ্ছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad