মালদা: সাত দিনের মধ্যে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, দীর্ঘ ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও চাকরি মেলেনি। পরে টাকা ফেরত চাইতে গেলে হুমকি দেওয়া হয় এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদায়। ঘটনায় শনিবার হরিশ্চন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক মহিলা।
ঘটনাটি হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের মশালদহ গ্রাম পঞ্চায়েতের ইটবান্ধা গ্রামের। প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা নারিজা পারভিন। তাঁর অভিযোগ, সাদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েতের কালেকটরি গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ হারুন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীর চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে তাঁর কাছ থেকে ৬৫ হাজার টাকা নেন। সাত দিনের মধ্যে চাকরি হয়ে যাবে বলে আশ্বাস দেওয়া হলেও দীর্ঘ ১০ মাস কেটে যাওয়ার পরও কোনও চাকরি মেলেনি।
অভিযোগকারী নারিজা পারভিন জানান, তাঁর বাবার বাড়ির এলাকার পরিচিত হওয়ার সূত্রে অভিযুক্তের সঙ্গে যোগাযোগ হয়। চাকরি পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ৬৫ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এমনকি চাকরি হয়ে গেলে আরও টাকা দিতে হবে বলেও জানানো হয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময় তো দূরের কথা, ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও চাকরি মেলেনি। বারবার টাকা ফেরত চাওয়া সত্ত্বেও তা ফেরত দেওয়া হয়নি। উল্টে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছে এবং মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখানো হয়েছে বলেও অভিযোগ।
নারিজার স্বামী আবু সামা বলেন, 'দিনমজুরি করে জমানো টাকা দিয়েছিলাম। চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে পারেননি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। উল্টে আমাদের ভয় দেখানো হচ্ছে।' যদিও অভিযুক্ত মহম্মদ হারুন তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবী করেন,কারো কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে কোনও টাকা নেননি। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

No comments:
Post a Comment