বিনোদন ডেস্ক, ০৪ আগস্ট ২০২৬: বাঙালির রান্নাঘর মাছ ছাড়া যেন অসম্পূর্ণ। বাঙালি আর মাছ একে অপরের পরিপূরক একথা বললেও খুব একটা ভুল হবে না। প্রিয় মাছের তালিকায় রুই, কাতলা, পাবদা, ইলিশ যেমন রয়েছে, তেমনই আরেকটি মাছ হল বাটা। মিষ্টি জলের এই মাছ স্বাদে যেমন ভালো, এর কিছু অসাধারণ গুণও রয়েছে। আসুন জেনে নিই কী কী সেই গুণাবলী।
বাটা মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি উপাদান:-
প্রতি ১০০ গ্রাম বাটা মাছে রয়েছে ১৮-২০ গ্রাম প্রোটিন। এটি সহজে হজমযোগ্য উচ্চমানের প্রোটিন এবং সকল প্রয়োজনীয় অ্যামিনো অ্যাসিড সমৃদ্ধ। এর পাশাপাশি এই মাছে রয়েছে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ডি, ভিটামিন ই, খনিজ লবণ, আয়রন, ক্যালসিয়াম, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, ফসফরাস। প্রোটিনের প্রধান কাজ হল মানবদেহের বৃদ্ধি, কোষগঠন ও ক্ষয়পূরণ। তাছাড়া শরীরে নতুন কোষ সৃষ্টিতে প্রোটিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাটা মাছের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে। এই মাছ হৃদরোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে। বাটা মাছে উপস্থিত ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড হৃদরোগ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক এই মাছ।
নার্ভের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে বাটামাছ। এটি নিয়মিত খেলে দারুণ উপকার পাওয়া যায়।
এই মাছ হৃদযন্ত্র ভালো রাখে। হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। মস্তিষ্কে রক্তচাপের ঝুঁকি কমায়। রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা হ্রাস করে বর্তমানে হার্টের সমস্যায় ভুগছেন অনেকেই। সেক্ষেত্রে বাটা মাছ পাতে রাখলে এই ঝুঁকি অনেকটাই কমবে।
এই মাছ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। বাটা মাছ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ।
ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস সমৃদ্ধ এই মাছ অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধে সহায়ক।
এছাড়াও এর অন্যান্য উপকারিতা -
ভাইরাল ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়ক।
হাড় ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক।
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায়।
ডিমেনশিয়া প্রতিরোধে সহায়তা করে।
রাতকানা প্রতিরোধে সহায়ক।
দৃষ্টিশক্তি বজায় রাখে।

No comments:
Post a Comment