'জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা নয় বরং---', ককরোচদের বিশেষ পরামর্শ কেজরিওয়ালের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, September 28, 2026

'জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা নয় বরং---', ককরোচদের বিশেষ পরামর্শ কেজরিওয়ালের


ন্যাশনাল ডেস্ক, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬: জ্ঞানেশ কুমার পদত্যাগ না করলে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। তবে দিল্লীর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির (আপ) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাদের বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পরিবর্তে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পদত্যাগের দাবী জানিয়ে আন্দোলন করা উচিৎ। কেজরিওয়ালের প্রশ্ন, মানুষ আর কতবার যন্তর মন্তরে গিয়ে আন্দোলন করবেন? তিনি বলেন, জ্ঞানেশ কুমার যা করেছেন, তা নিজের স্বার্থে নয়, ‘বস’-এর জন্য করেছেন।


একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে কেজরিওয়ালকে এসআইআর এবং দিল্লী নির্বাচনে পরাজয় প্রসঙ্গ তুলে আসন্ন পাঞ্জাব নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। জবাবে তিনি বলেন,তিনি বলেন, "জনগণ এই বিষয়টি উত্থাপন করবে। জনগণ রাস্তায় নামবে। আরশোলারা ২রা অক্টোবরের জন্য ঘোষণা দিয়েছে। আমি খুব খুশি যে এখন ১৪০ কোটি ককরোচ রাস্তায় নামবে। আমি আশা করি যে জ্ঞানেশ কুমারকে ইস্তফাও দিতে হবে এবং আমরা এসআই-এর থেকে মুক্তি পাব।"


এরই সঙ্গে অরবিন্দ কেজরিওয়াল 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র কাছে একটি আবেদন করেন। তিনি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের পরিবর্তে প্রধানমন্ত্রী মোদীর পদত্যাগ দাবী করার পরামর্শ দিয়ে বলেন, "আমি এই ককরোচদের একটি বার্তা দিতে চাই। প্রথমে তারা ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কথা বলেছিল, এখন তারা জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের কথা বলছে। আরে, একবার বসের ইস্তফা নিয়ে নাও না। মানুষ আর কতবার যন্তর মন্তরে যাবেন? আর কতবার তারা আন্দোলন করবেন? জ্ঞানেশ কুমার কি আর নিজের জন্য অন্যায় করেছেন! তিনি কী পেলেন? তিনি যা কিছু করেছেন, তা বসের জন্যই করেছেন। তিনি বসের নির্দেশেই তা করেছেন। এই আন্দোলন জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের জন্য নয়, নরেন্দ্র মোদীর ইস্তফার জন্য হওয়া উচিৎ।"


এসআইআর-এর একটি সংবাদ প্রতিবেদন সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন যে, জ্ঞানেশ কুমার এখন দিল্লী থেকে সমগ্র দেশের জন্য ভোটার তালিকা তৈরি করছেন। কেজরিওয়াল বলেন, "এনারা এমন সফটওয়্যার তৈরি করেছেন, যা অনেক এলাকায় এসডিএমদের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে। দিল্লী নির্বাচন কমিশনে এমন লোক আছে যারা যে কারও ভোট মুছে ফেলতে বা যোগ করতে পারে। জ্ঞানেশ কুমার তাঁর অফিসে বসে সারা দেশের জন্য ভোটার তালিকা তৈরি করছেন। গোয়ার উদাহরণটি এমন একটি, যেখানে তারা ৯৭ জনের ভোট যোগ করার জন্য চিঠি লিখেই যাচ্ছিল, কিন্তু তা করা হয়নি। কারও ভোট মুছে ফেলা যায়, কারও ভোট যোগ করা যায়। তাহলে তো সরকারও বদলানো যায় না। গণতন্ত্র কী? আমি যদি আমার সরকারের ওপর খুশি না হই, আমি সরকার বদলাতে পারি। জনগণ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার বদলাতে পারে। তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়েছে।" 


পাঞ্জাব সম্পর্কে একটি প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "আমরা পাঞ্জাবে একটি বড় দল গঠন করেছি যারা পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছে।"

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad