জোড়াফুল কার? প্রতীক নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, September 28, 2026

জোড়াফুল কার? প্রতীক নিয়ে বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

 


কলকাতা: পুজোর পরেই সম্ভবত রাজ্যে পুরভোট। আর এর আগে বড়সড় ধাক্কা মমতা-তৃণমূলের। রেজিনগর, নন্দীগ্রামের পর কাউন্সিলর নির্বাচনেও জোড়াফুল হাতছাড়া হতে পারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে ছিল 'প্রতীক-যুদ্ধে'র শুনানি। এদিন শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে চারমাস সময় দিল সর্বোচ্চ আদালত। অর্থাৎ নভেম্বরের পুরভোটে আগে সিদ্ধান্ত আসা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। এমনকি ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরও দুই কেন্দ্রের আসন্ন উপনির্বাচন বা পুরভোটে জোড়াফুল প্রতীক পাবে কিনা তা নিয়েও সংশয় রয়ে গেল। অতএব প্রতীক নিয়ে দুই শিবির রয়ে গেল সেই তিমিরেই।


ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজ হাতে গড়ে তোলা দল ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। একদিকে মমতা তৃণমূল এবং অন্যদিকে ঋতব্রত তৃণমূল। আর এই দ্বন্দ্বের মধ্যেই গত কয়েকদিন আগে তৃণমূলের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক 'ফ্রিজ়' করেছে নির্বাচন কমিশন। কমিশনের তরফে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আপাতত 'সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস' এবং প্রতীক জোড়াফুল মমতা তৃণমূল অথবা ঋতব্রত তৃণমূল কেউ ব্যবহার করতে পারবেন না। কে আসল তৃণমূল, দলের তহবিলের মালিকানা কোন গোষ্ঠীর, এই সমস্ত বিষয় নিষ্পত্তি হওয়ার পরেই নাম-প্রতীক নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেয় কমিশন। আর এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।


সেই মামলার শুনানি ছিল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে। নাম-প্রতীকের বিষয়টি যাতে দ্রুত শুনানি করে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় সেই আবেদন জানান মমতা তৃণমূলের আইনজীবী কপিল সিব্বল ও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দু'পক্ষের অর্থাৎ মমতা ও ঋত তৃণমূলের কমিশনের কাছে শুনানির প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে কিনা জানতে চান প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। এই বিষয়ে মমতা তৃণমূল সবুজ সঙ্কেত দিলেও ঋতব্রত তৃণমূল এই বিষয়ে ৬ সপ্তাহের সময় চান। তাঁদের আইনজীবী মুকুল রোহতগি কমিশনের কাছে বক্তব্য জানানোর ছ'সপ্তাহ সময় চান। যদিও একমাসের মধ্যে কমিশনকে দু'পক্ষের বক্তব্য শুনতে হবে বলে নির্দেশ। এরপর কমিশন তিনমাস সময় পাবে চূড়াত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। তবে এরমধ্যে দু'পক্ষকেই হলফনামা-পাল্টা হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।


অতএব জোড়াফুল কার ঝুলিতে পড়তে চলেছে তার জন্য আরও চার মাস প্রতীক্ষা করতেই হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad