নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন 'সর্বহারা' মমতার - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, September 18, 2026

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন 'সর্বহারা' মমতার


কলকাতা: নাম-প্রতীকের পর প্রার্থীও হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।‌ এবারে জানিয়ে দিলেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের লড়াইয়ে তাঁর দল আর নেই। বদলে কংগ্রেসকে সমর্থন করার বার্তা দিলেন মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো। শুক্রবার বিকেলে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে সাংবাদিক সম্মেলন করেন মমতা। সেখানেই তাঁর ঘোষণা, "নন্দীগ্রামে আমরা লড়ব না, সিস্টার পার্টি কংগ্রেসকে সমর্থন করছি। তাতে ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করা হবে।” উল্লেখ্য, আগামী ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচন। নন্দীগ্রাম আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন মিলন প্রধান। তাঁকেই সমর্থন করছে মমতা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস।


এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "নন্দীগ্রামে কংগ্রেসকে সমর্থন করব বলে আগেই ভেবে রেখেছিলাম। বৃহত্তর স্বার্থে দেশের জন্য সমর্থন। ওরা সিস্টার পার্টি।” জোট প্রসঙ্গে তাঁর আরও বক্তব্য, "রাহুল জি গতকাল কল করেছিলেন। আমরা সকলে একসঙ্গে আছি, আমরা একসঙ্গে লড়াই করব। আমরা সমস্ত স্বাভাবিক জোটকে সমর্থন করব। আমাদের সিস্টার দলকে সমর্থন করব।”


রেজিনগর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে কি লড়বেন মমতা? নাকি সেখানেও অন্য কাউকে সমর্থন দেবেন? তা নিয়ে অবশ্য পরে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান নেত্রী। 


উল্লেখ্য, অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস ও তার প্রতীক জোড়াফুল নিয়ে দড়ি টানাটানি চলছিলই। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তা চরমে ওঠে। এদিন রাতে নির্বাচন কমিশন সেই নাম-প্রতীক ফ্রিজ করে দেয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়- দুই শিবিরকেই বেছে নিতে বলা হয় অন্য নাম-প্রতীক। শুক্রবার সেইমতো দুই শিবিরের নাম-প্রতীক চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন।‌ এদিন দুপুরেই বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মমতা শিবিরের নাম 'মমতা অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস।' তাঁদের প্রতীক হল 'ফুটবলার'। অন্যদিকে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের নাম 'ডেমোক্র্যাটিক তৃণমূল কংগ্রেস'। তাঁদের প্রতীক 'খাম'। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগরের উপনির্বাচনে লড়তে হবে মমতা ও ঋতব্রত শিবিরের প্রার্থীদের এই প্রতীক এবং দলের নামেই। 


আর এরপরেই নাটকীয় মোড়, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের‌ মমতার প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে সটান‌ নবান্নে পৌঁছে যান এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারপরেই হলদিয়ায় মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন।‌ আর তার কিছুক্ষণের মধ্যেই সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজের নন্দীগ্রাম নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad