'জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এই সরকার যাবে', ককরোচদের বিক্ষোভের মাঝেই আক্রমণে রাহুল গান্ধী - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, October 10, 2026

'জ্ঞানেশ কুমার যাবেন, এই সরকার যাবে', ককরোচদের বিক্ষোভের মাঝেই আক্রমণে রাহুল গান্ধী


ন্যাশনাল ডেস্ক, ১০ অক্টোবর ২০২৬: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সামিল হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। এই প্রতিবাদ বিক্ষোভে কংগ্রেস শারিরীক ভাবে শামিল না হলেও তাঁদের গলাতেও শোনা যাচ্ছে একই সুর। শনিবার সকালেই সমাজমাধ্যমে এ নিয়ে পোস্ট করেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি লিখেছেন, "জ্ঞানেশ কুমার যাবেন। এই সরকার যাবে। তারপর শুরু হবে গণতন্ত্রের মেরামত।"


উল্লেখ্য, রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের বরিষ্ঠ নেতারা গত তিন দিন ধরে সিইসি-র পদত্যাগের দাবীতে প্রতিবাদ করছেন। আজ চেন্নাইতে ছাত্রদের 'গুঞ্জ' অনুষ্ঠানে রাহুল গান্ধীর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। তিনি আজ সকালে চেন্নাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন।


উল্লেখ্য, শনিবার যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রতিবাদ-বিক্ষোভ। তার আগেই দিল্লী কার্যত অভেদ্য দুর্গে পরিণত হয়েছে। পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীতে ছয়লাপ রাজধানী। 



এই আবহে কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ বলেছেন, "দেশের রাজধানী দুর্গে পরিণত হয়েছে। সর্বত্র সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। সংবিধানের ৩২৬ অনুচ্ছেদের অধীনে তাদের ভোটাধিকার পরিকল্পিতভাবে কেড়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা নিয়ে উদ্বিগ্ন তরুণদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পিএম-এইচএম জুটি গভীরভাবে উদ্বিগ্ন ও হতবাক।"


তিনি বলেন, "এর জোরালো প্রমাণ রয়েছে যে, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁর নিয়োগের পর এই বিনাশকারী জুটির দেওয়া আদেশ বিশ্বস্ততার সাথে পালন করেছেন। ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে, যখন ১৪৫ জন বিরোধী সাংসদকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল, তখন তাঁদের আজীবন আইনি সুরক্ষা প্রদানের একটি আইন জোর করে সংসদে পাস করানো হয়েছিল।"



জয়রাম রমেশ বলেন, "সুপ্রিম কোর্টকেও মিথ্যা বলা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফা এখন একটি নৈতিক অনিবার্যতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এটি আমাদের গণতন্ত্রের ভিত্তি পুনরুদ্ধারের দিকে প্রথম পদক্ষেপ মাত্র। গণতন্ত্রের এই ভিত্তি পুনর্নির্মাণ করা সকল মানুষের, বিশেষ করে তরুণদের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য অপরিহার্য।"


কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক বলেছেন, "এসআইআর প্রক্রিয়া বন্ধ করাও জরুরি, যা এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ কোটি ভারতীয়কে তাঁদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে। আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস পুনরুদ্ধারের জন্য এসআইআর বাতিল করা অপরিহার্য।"


উল্লেখ্য , সিজেপি-র বিক্ষোভের আগে দিল্লী পুলিশ রাজধানীকে এককথায় একটি সেনানিবাসে পরিণত করেছে। বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হচ্ছে। এমনকি দিল্লীতে পা রাখতেই বিমানের ভেতর থেকে সিজেপি-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে আটক করা হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad