ন্যাশনাল ডেস্ক, ১০ অক্টোবর ২০২৬: ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র প্রধান এবং জাতীয় আহ্বায়ক অভিজিৎ দীপকেকে আটক করা হয়েছে। অভিজিতকে, সিজেপি-র সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসের সঙ্গে সেই বিমান থেকেই আটক করা হয়, যাতে করে তাঁরা মুম্বাই থেকে দিল্লীর ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (আইজিআই) অবতরণ করেন। একেবারে বিমানে উঠে পড়ে তাঁদের আটক করেন মহিলা পুলিশ দল। আটক হওয়ার সময় অভিজিৎ দীপকে বলেন যে, তিনি গ্রেফতার হতে এসেছেন। পুলিশ সিজেপি নেতাদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য 'নারী শক্তি'র কৌশল ব্যবহার করে। নারী পুলিশ কর্মীরা সামনে এলে দীপকে এবং অন্যান্য সিজেপি নেতারা একেবারে হতভম্ব হয়ে যান।
এই সময় অভিজিৎ দীপকে বলেন, "আমরা গ্রেফতার হতেই এসেছি, করে নিন গ্রেফতার।" এদিকে, প্রতিবাদস্থলে পৌঁছানোর চেষ্টা করা প্রায় ১৫০ জনকে দিল্লী পুলিশ আটক করেছে। সিজেপি এও দাবী করেছে যে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তার গুরুগ্রামের বাড়ি থেকে এবং দলের আইন প্রধান রত্না সিংকে আটক করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ককরোচ জনতা পার্টির অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে বিমান থেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে একটি বাসে করে নিয়ে যাওয়া হয়। দিল্লী পুলিশ এই তিনজনকে কোথায় নিয়ে গেছে সে সম্পর্কে কোনও তথ্য নেই।
৮ই অক্টোবর বেঙ্গালুরুতে বিক্ষোভের পর অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা মুম্বাই এসেছিলেন। শনিবার সকালে, তিনজন দিল্লীর একটি বিমানে ওঠেন। দিল্লীতে বিমানটা নামার পর, দীপকে তাঁর আসন থেকে নড়ার আগেই পুলিশ তাঁর সামনে এসে দাঁড়ায়।
উল্লেখ্য, শনিবার দিল্লীতে সিজেপি-র একটি বিক্ষোভ। এই কারণে মধ্য দিল্লীর বেশ কয়েকটি এলাকায় ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে একটি পরিকল্পিত বিক্ষোভ প্রতিরোধ করতে যন্তর মন্তরে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এককথায় দিল্লী যেন অভেদ্য দুর্গ। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের সামনে এগোতে বাধা দিচ্ছে। এই নিরাপত্তা ব্যবস্থার কারণে বেশ কয়েকটি রাস্তায় যান চলাচল ব্যাহত হয়, যার ফলে যানজটের সৃষ্টি হয়।

No comments:
Post a Comment