"আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দিলে কাউকেই দেওয়া উচিত নয়", মন্তব্য ট্রাম্পের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, March 28, 2026

"আমাকে নোবেল শান্তি পুরস্কার না দিলে কাউকেই দেওয়া উচিত নয়", মন্তব্য ট্রাম্পের



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:৫৫:০১ : মার্কিন রাষ্ট্রপতি আবারও নিজের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে শিরোনামে উঠে এসেছেন। ফ্লোরিডার মায়ামি শহরে একটি সম্মেলনে ভাষণ দিতে গিয়ে তিনি ইরান প্রসঙ্গে তীব্র মন্তব্য করেন এবং শান্তিতে নোবেল পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। নিজের বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং দ্রুত একটি চুক্তি করা উচিত।



এই সময় তিনি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্টেট অফ হরমুজ-এর নাম ভুল করে অন্যভাবে উচ্চারণ করেন। পরে সঙ্গে সঙ্গে নিজের ভুল সংশোধন করে আসল নাম বলেন এবং মজার ছলে এটিকে বড় ধরনের ভুল বলে উল্লেখ করেন।



এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে, যখন এর একদিন আগেই তিনি ইরানের জ্বালানি স্থাপনাগুলিতে সম্ভাব্য হামলা দশ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণা করেছিলেন। এই পদক্ষেপকে অঞ্চলের উত্তেজনা কমানোর ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হলেও, বাস্তব পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত উদ্বেগজনক।



নিজের ভাষণে তিনি আবারও নোবেল শান্তি পুরস্কার না পাওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যদি তাঁকে এই পুরস্কার না দেওয়া হয়, তবে আর কাউকেই দেওয়া উচিত নয়। উল্লেখযোগ্য, ২০২৫ সালে এই পুরস্কার ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদোকে দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প দাবি করেন, পরে ওই নেত্রী নাকি পুরস্কারটি তাঁকে উৎসর্গ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন।



ট্রাম্প নিজেকে একজন বড় শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী হিসেবেও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ইতিহাসে তিনি এমন এক নেতা হিসেবে পরিচিত হতে চান, যিনি শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দাবি কিছুটা বিরোধপূর্ণ মনে হতে পারে বলেও তিনি স্বীকার করেন। তিনি আরও দাবি করেন যে, তিনি আটটি যুদ্ধ থামিয়েছেন, যদিও এই দাবির পক্ষে কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।



এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের উদ্যোগে গত মাসে শুরু হওয়া সংঘর্ষের জেরে পশ্চিম এশিয়ায় সহিংসতা ক্রমশ বাড়ছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গেছে, ইজরায়েলে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে এবং লেবাননেও ইজরায়েলি সেনাদের প্রাণহানি ঘটেছে। একই সঙ্গে লেবানন ও ইরানে বিপুল সংখ্যক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া মার্কিন সেনাদের মধ্যেও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। পশ্চিম তীর অঞ্চল ও উপসাগরীয় দেশগুলিতেও এই সংঘর্ষের প্রভাব পড়ে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad