প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ১৯ মার্চ : ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ফের বিতর্কের আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন জিতু কমল। মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ সকালে খবর রটে ‘এরাও মানুষ’ ছবির সেট ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন জিতু কমাল। ছবির পরিচালক প্রকাশ লাহিড়িও বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন জিতুর বিরুদ্ধে। এমনকি তার জেরেই জিতু নাকি পরিচালককে পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেন। কিন্তু আসলে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল তা আজকাল ডট ইনকে নিজেই জানালেন জিতু।
জিতু এদিন বিতর্ক প্রসঙ্গে বলেন, “ঝামেলা আমার পিছন ছাড়বে না। প্রথম দিন থেকেই ডেটসের সমস্যা ছিল। ডেটস দেয়, তার ঠিক দুদিন আগে ডেট চেঞ্জ করে দেয়। তাও একটা দুটো দিন নয়, ৫-৬ টা দিন। আমি তো এসভিএফের কাছেও তো অ্যাকাউন্টেবল। ওদের থেকে টাকা নিই। দিনের পর দিন আমি ঘরে বসে রয়েছি, কাজে যেতে পারছি না।”
জিতু আরও জানান, “১৬ তারিখ মানে শুটিংয়ের শেষ দিন ওদের কেন মনে হল যে আমি মেকআপ করছি না, সহযোগিতা করছি না। এরা নতুন। শুটিং শেষ হওয়ার পর বাদ দেওয়া, শিল্পীর অনুমতি ছাড়া ডাবিং নিজের মতো করে নেওয়া যায় না। এগুলো জানে না। আমি ওখানে যেহেতু কথা দিয়ে ফেলেছি, আমাকে ওখানে যেতে হয়েছে। কোনওদিন ঠিক সময় গাড়ি দেয়নি। আমি পৌঁছব কী করে। পিকআপ টাইম দিচ্ছ। কাল আমায় কল টাইম দিয়েছে সাড়ে ৮ টায় আমি ঢুকেছি ৯ টায়। পৌঁছব কী করে?”
জিতুর বিস্ফোরক মন্তব্য সামনে আসতেই শোরগোল। অভিনেতা বলেন, “গায়ে হাত দিতে আসা, গালি দেওয়া, এটা কে মানবে? শেষ দিন বলে এটা করা যায়? পায়ে হাত দিয়ে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলছে, কিন্তু কেন সেটা তো বলছে না। এমনই এমনই বলছে? আমার কাছে একটা ভিডিও ফুটেজ আছে, অমিত তালুকদার, পুরনো লোক বলে নিজেকে দাবি করে, যদিও চিনি না, ও বারবার অরূপদা (অরূপ বিশ্বাস), পিয়াদির (পিয়া সেনগুপ্ত) নাম করে, তাঁদের দিয়ে থ্রেট করানোর কথা বলে। এইগুলো করেছে।
আমি যখন হাসপাতালে ভর্তি হই, এঁদের কারণে হই। এদের ধুলোবালি, হাবিজাবির কারণে। কিন্তু এসব অ্যাম্বার পাউডার দিয়ে লুকসেট হয়নি। হলে ওখানেই বারণ করে দিতাম। কারণ আমার অ্যাজমা আছে। তাঁরা বিশ্বাসই করছেন না যে আমার শরীর খারাপ হতে পারে। আমি ওখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ি, তাও তাঁরা বিশ্বাস করেননি প্রথমে।”
.jpeg)
No comments:
Post a Comment