ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৫ মার্চ ২০২৬: পশ্চিমবঙ্গ-সহ পাঁচ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি রবিবার (১৫ মার্চ ) আসাম, কেরালা, পদুচেরি ও তামিলনাড়ুর জন্যও নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা করেছে কমিশন। এর মধ্যে তামিলনাড়ুতে নির্বাচন হবে ২৩ এপ্রিল, এক দফায়। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার সাথেই সামনে এসেছে প্রথম জনমত সমীক্ষা। সমীক্ষার ফলাফলে একদিকে দেখা যাচ্ছে রাজ্যে শাসক দলের বিদায়ের পূর্বাভাস আর অন্যদিকে এনডিএ আবারও ক্ষমতায় ফিরে আসার সম্ভাবনা। ম্যাট্রিজ-আইএএনএস পরিচালিত সমীক্ষা অনুসারে, ক্ষমতাসীন ডিএমকে এবং তার সহযোগীরা ১০৪ থেকে ১১৪টি আসন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে, অন্যদিকে এআইএডিএমকে-এর নেতৃত্বাধীন এনডিএ, যার মধ্যে বিজেপিও রয়েছে, এই নির্বাচনে প্রায় ১১৪ থেকে ১২৭টি আসন পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। অন্যদিকে, অভিনেতা তথা রাজনীতিক থালাপতি বিজয়ের দল টিভিকে ৬ থেকে ১২টি আসন জিততে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে, এই পরিসংখ্যানগুলি কয়েকদিন আগে পর্যন্ত থাকা রাজনৈতিক সমীকরণের কাহিনী বলছে। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী তামিলনাড়ুতে ২২ এপ্রিল ভোট হবে। তার আগে রাজ্যের রাজনীতি কোন দিকে বাঁক নেয়, সেটাই দেখার।
আজই সামনে আসা এক খবর অনুসারে, রাজ্যে জমি খোঁজার চেষ্টায় লিপ্ত ভারতীয় জনতা পার্টি, টিভিকে-এর বিজয়কে খোলাখুলি জোটের প্রস্তাব দিয়েছে। সূত্র মতে, বিজয়কে উপ-মুখ্যমন্ত্রী পদের প্রস্তাব দিয়েছে বিজেপি। এছাড়াও, এনডিএ-এর তরফে বিজয়ের টিভিকে-কে ৮০টি আসনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। বিজেপি সূত্র অনুসারে, বিজয় যদি তাঁর দলের সাথে এনডিএতে যোগদান করেন, তাহলে রাজ্যের নির্বাচনী ফলাফল সম্পূর্ণ উল্টে যেতে পারে।
রাজনৈতিক খেলায় নতুন আসা বিজয়ের জন্য, বিজেপিতে যোগদান কিছুটা অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করতে পারে। এমনকি বিজয়ের ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টারাও এই জোট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিজয় শুরু থেকেই তাঁর রাজনৈতিক দলকে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে থেকে আলাদা তৃতীয় দল হিসেবে এগিয়ে রাখছেন। এমতাবস্থায় এখন যদি তিনি কোনও দলে সামিল হন, তাহলে তার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি নষ্ট হতে পারে।

No comments:
Post a Comment