মার্কিন রিপোর্টে ফাঁস পাকিস্তান! ১৫ জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দিচ্ছে অসীম মুনির - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, March 29, 2026

মার্কিন রিপোর্টে ফাঁস পাকিস্তান! ১৫ জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দিচ্ছে অসীম মুনির



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১২:২০:০১ : আমেরিকার কংগ্রেশনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-এর একটি রিপোর্ট আবারও পাকিস্তানকে বিশ্বের সামনে প্রকাশ্যে এনেছে। এই রিপোর্টে পাকিস্তানের মাটি থেকে পরিচালিত বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠন এবং তাদের কারণে ভারতের ওপর তৈরি হওয়া নিরাপত্তা হুমকির বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে।



সিআরএস-এর এই প্রতিবেদনে লস্কর-ই-তইবা, জইশ-ই-মহম্মদ, হরকত-উল-জিহাদ-ই-ইসলামি, হরকত-উল-মুজাহিদিন এবং হিজবুল মুজাহিদিনসহ একাধিক ভারত ও কাশ্মীর-কেন্দ্রিক জঙ্গি সংগঠনের নাম উঠে এসেছে। এরা পাকিস্তানের ভূখণ্ড থেকে সক্রিয় থেকে ভারতের নিরাপত্তার জন্য বড় বিপদ হয়ে উঠেছে।



রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সশস্ত্র অ-রাষ্ট্রীয় গোষ্ঠীর কেন্দ্র ও লক্ষ্যস্থল—যাদের অনেকেই ১৯৮০-র দশক থেকে সক্রিয়। বারবার সামরিক অভিযান ও নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়া হলেও, যুক্তরাষ্ট্র ও জাতিসংঘ ঘোষিত জঙ্গি নেটওয়ার্কগুলোকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব হয়নি।



দক্ষিণ এশিয়া বিশেষজ্ঞ কে. অ্যালান ক্রোনস্ট্যাড প্রস্তুত করা এই রিপোর্টটি মূলত আমেরিকার আইনপ্রণেতাদের তথ্য দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি। এতে জঙ্গি সংগঠনগুলোকে পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে—বিশ্বব্যাপী সক্রিয়, আফগানিস্তান-কেন্দ্রিক, ভারত ও কাশ্মীর-কেন্দ্রিক, অভ্যন্তরীণ এবং সাম্প্রদায়িক (বিশেষ করে শিয়া-বিরোধী) গোষ্ঠী।



রিপোর্টে মোট ১৫টি জঙ্গি সংগঠনের উল্লেখ রয়েছে, যার মধ্যে ১২টিকে আমেরিকার আইনে বিদেশি জঙ্গি সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এদের অধিকাংশই উগ্রপন্থী ইসলামি মতাদর্শে অনুপ্রাণিত।



বিশ্বব্যাপী সক্রিয় সংগঠনগুলোর মধ্যে আল-কায়েদা, আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট এবং ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশের নাম রয়েছে। আফগানিস্তান-কেন্দ্রিক গোষ্ঠীর মধ্যে তালিবান ও হাক্কানি নেটওয়ার্ক উল্লেখযোগ্য।



অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান, বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি এবং জইশ আল-আদল রয়েছে। অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক সংগঠনগুলোর মধ্যে সিপাহ-ই-সাহাবা পাকিস্তান এবং লস্কর-ই-ঝাঙ্গভির নাম উঠে এসেছে।



রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ২০১৪ সালের জাতীয় কর্মপরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল দেশে কোনো সশস্ত্র মিলিশিয়া সক্রিয় থাকতে না দেওয়া। কিন্তু বাস্তবে বিমান হামলা ও গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক একাধিক বড় সামরিক অভিযান চালানো সত্ত্বেও এই সংগঠনগুলোকে সম্পূর্ণভাবে দমন করা যায়নি।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad