ইরানের পর আরও এক দেশকে নিশানা, কড়া বার্তা ট্রাম্পের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, March 28, 2026

ইরানের পর আরও এক দেশকে নিশানা, কড়া বার্তা ট্রাম্পের



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩:৫৫:০১ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ভেনেজুয়েলা, গ্রিনল্যান্ড এবং ইরানে শাসন পরিবর্তনের কথা বলার পর এবার আরও একটি দেশকে হুমকি দিতে দেখা যাচ্ছে। ট্রাম্পের একাধিক সিদ্ধান্তের ফলে ইতিমধ্যেই বহু দেশে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। ২৭ মার্চ মিয়ামি বিচে সৌদি আরবের আয়োজিত এক শীর্ষ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “আমি এই শক্তিশালী সেনাবাহিনী গড়ে তুলেছি… কখনও কখনও সেটার ব্যবহার করতেই হয়, আর পরের লক্ষ্য হতে পারে কিউবা।”



এই মন্তব্য কিউবার বিরুদ্ধে তাঁর সবচেয়ে স্পষ্ট প্রকাশ্য হুমকি হিসেবে ধরা হচ্ছে। ১৬ মার্চ ওভাল অফিসে ট্রাম্প বলেন, কোনও না কোনওভাবে কিউবাকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সুযোগ তিনি পেতে পারেন বলে আশা করছেন এবং তিনি দেশটিকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বলে উল্লেখ করেন। জানা গেছে, গত কয়েক মাস ধরে যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ওপর কঠোর অবরোধের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মার্কিন সেনাবাহিনী কিউবার ভিতরে বাইরের পণ্য ঢুকতে দিচ্ছে না এবং বিদ্যুৎ সরবরাহও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।



এর আগে ইন্টার মিয়ামি দলের খেলোয়াড়দের হোয়াইট হাউস সফরের সময় ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাত শেষ হলেই খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নজর কিউবার দিকে ঘুরবে। সৌদি আরবের সার্বভৌম সম্পদ তহবিলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ফিউচার ইনভেস্টমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ অগ্রাধিকার সম্মেলনে ট্রাম্পের এই মন্তব্য আরেকটি বড় সংঘর্ষের ইঙ্গিত দিচ্ছে।



যদিও ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেননি কিউবাকে নিয়ে তাঁর পরিকল্পনা কী, তবে তিনি বারবার বলেছেন যে হাভানার সরকার, যা গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটে ভুগছে, পতনের মুখে দাঁড়িয়ে আছে বলে তিনি মনে করেন।



কিউবার প্রেসিডেন্ট Miguel Díaz-Canel স্বীকার করেছেন যে ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চলছে। হাভানা সংঘাত এড়াতে চাইছে, কিন্তু অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ ক্রমাগত বাড়ছে। এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই আলোচনায় কিউবার প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতা থেকে সরানোই যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রধান লক্ষ্য, যদিও সেই পদক্ষেপ নেওয়ার দায়িত্ব কিউবার অভ্যন্তরীণ নেতৃত্বের ওপরই ছেড়ে দেওয়া 

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad