অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ অমিত শাহর! তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জাশিট পেশ - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, March 28, 2026

অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ অমিত শাহর! তৃণমূলের বিরুদ্ধে চার্জাশিট পেশ



কলকাতা, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৫:০৩:০২ : কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ শনিবার কলকাতায় তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে একটি ‘অভিযোগপত্র’ প্রকাশ করেছেন। এই নথি পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর আগে ভারতীয় জনতা পার্টির নির্বাচনী কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে ধরা হচ্ছে। দলটির দাবি, গত পনেরো বছরে তৃণমূলের শাসনে দুর্নীতি, অব্যবস্থা ও অরাজকতার বিস্তারিত চিত্র এতে তুলে ধরা হয়েছে।




অভিযোগপত্র প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বাংলা আজ অরাজকতার শিকার।” তাঁর অভিযোগ, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার রাজ্যকে অনুপ্রবেশকারী, অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের আশ্রয়স্থলে পরিণত করেছে, ফলে রাজ্য বহু বছর পিছিয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, এই শাসনে আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, মহিলাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়েছে এবং সর্বত্র দুর্নীতির বিস্তার ঘটেছে।



কলকাতায় এক সাংবাদিক বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “গত পনেরো বছরে ভয়, দুর্নীতি ও বৈষম্যের রাজনীতি প্রাধান্য পেয়েছে। এই রাজনীতি মিথ্যা, ভয় ও হিংসার উপর দাঁড়িয়ে আছে। সাধারণত সরকার নির্বাচিত হয় জনকল্যাণমূলক কাজের ভিত্তিতে, কিন্তু তৃণমূলের রাজনীতি ভয় দেখানো ও হুমকির উপর নির্ভরশীল। ২০১১ সাল থেকেই ভারতীয় জনতা পার্টি এর বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে, এবং এবার বাংলার মানুষ পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এই অভিযোগপত্র গত পনেরো বছরের শাসনের একটি সংকলন।”



তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য, যেখান দিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা দেশে প্রবেশ করছে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি সৃষ্টি করছে। সীমান্ত দিয়ে এই অনুপ্রবেশ জাতীয় নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগজনক।”



স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিযোগ, গত পনেরো বছর ধরে পশ্চিমবঙ্গে ভয়, দুর্নীতি ও তোষণের রাজনীতি চলছে। তিনি বলেন, “এই অভিযোগপত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের অপশাসন, সিন্ডিকেট রাজ এবং কীভাবে রাজ্যকে দুর্নীতির পরীক্ষাগারে পরিণত করা হয়েছে, তা তুলে ধরা হয়েছে। এই নির্বাচন বাংলাকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার লড়াই। অসমে আমাদের সরকার গঠনের পর সেখানে অনুপ্রবেশ প্রায় বন্ধ হয়েছে। এখন পশ্চিমবঙ্গই একমাত্র রাজ্য যেখানে তা অব্যাহত। বাংলার মানুষ মুখ্যমন্ত্রীর নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরার কৌশল বুঝে গেছেন।”

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad