কলকাতা, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৩:০৫:০১ : পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবারের মতো নির্বাচন কমিশন ১৫২টি বিধানসভা কেন্দ্রের রিটার্নিং আধিকারিকদের পদোন্নতি দিয়ে মহকুমা শাসক, সমমান বা তার চেয়ে উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছে, যেমনটা দেশের অন্যান্য রাজ্যেও করা হয়। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া আপত্তি সত্ত্বেও এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আজ নির্বাচন কমিশনের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের সব ২৯৪টি বিধানসভা কেন্দ্রে এখন মহকুমা শাসক, সমমান বা তার চেয়ে উচ্চপদস্থ রিটার্নিং আধিকারিক নিয়োগ করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এটিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১৬ মার্চ ভোটের তারিখ ঘোষণার সম্ভাবনা
এদিকে সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশন ১৬ মার্চ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে পারে। ১৪ মার্চ কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড ময়দানে ভারতীয় জনতা পার্টির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভাষণের দুই দিন পর এই ঘোষণা হতে পারে।
নির্বাচন কমিশনের সূত্রে জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন দুই দফায় হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথম দফার ভোট এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ বা তৃতীয় সপ্তাহে হতে পারে। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি একই দিনে অসম, তামিলনাড়ু, কেরল এবং পুদুচেরিতেও বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করতে পারে কমিশন।
পশ্চিমবঙ্গে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের পাশাপাশি ভারতীয় জনতা পার্টি, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) এবং কংগ্রেসসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের কাছে রাজ্যের দুই দিনের সফরের সময় আবেদন জানিয়েছে—ভোট যেন এক দফায় বা সর্বোচ্চ দুই দফায় সম্পন্ন করা হয়।
জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় বিধানসভা নির্বাচন হলে নির্বাচনী হিংসা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে। কারণ দুষ্কৃতীদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় গিয়ে গোলমাল করার সুযোগ কমে যাবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে।”
.jpg)
No comments:
Post a Comment