প্রেসকার্ড নিউজ বিনোদন ডেস্ক, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১৫:০১ : মুখে ছোট্ট একটি তিল অনেক সময় সৌন্দর্য বাড়িয়ে দেয়, কিন্তু যখন সেই তিল বেশি চোখে পড়তে শুরু করে, তখন অনেকেই সেটি দূর করার উপায় খুঁজতে থাকেন। দামী চিকিৎসা বা রাসায়নিক পণ্য ব্যবহার করার বদলে অনেকেই প্রাকৃতিক উপায়কে বেশি নিরাপদ মনে করেন। আয়ুর্বেদেও এমন অনেক ঘরোয়া পদ্ধতির কথা বলা হয়েছে, যেগুলো নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞ ডা. উপাসনা এমনই একটি সহজ ঘরোয়া উপায়ের কথা বলেছেন, যা সঠিকভাবে এবং নিয়মিত করলে তিল হালকা করতে সাহায্য করে এবং ধীরে ধীরে সম্পূর্ণভাবে দূরও হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।
ডা. উপাসনার মতে, আরন্ডির তেলের সাহায্যে তিল ধীরে ধীরে দূর করা যেতে পারে। তবে এর জন্য নিয়মিত ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। এই তেল সহজেই বাজারে পাওয়া যায়। ব্যবহারের জন্য একটি পরিষ্কার দাঁতখোঁচা নিন এবং সামান্য তেল একটি ঢাকনা বা ছোট পাত্রে নিয়ে নিন। যদি তিল ছোট হয়, তাহলে দাঁতখোঁচার সরু অংশে অল্প তেল লাগিয়ে খুব আস্তে করে তিলের উপর লাগিয়ে হালকা করে মালিশ করুন। আর তিল যদি একটু বড় হয়, তাহলে দাঁতখোঁচার পেছনের গোল অংশে তেল লাগিয়ে সেটি দিয়ে আস্তে আস্তে মালিশ করুন। খেয়াল রাখবেন, কোনোভাবেই বেশি চাপ দেবেন না, শুধু হালকা হাতে তেল লাগাতে হবে।
কতবার এবং কতদিন ব্যবহার করবেন এই পদ্ধতি
ডা. উপাসনা জানান, দিনে অন্তত দুই থেকে তিনবার এই পদ্ধতি অনুসরণ করা উচিত। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এটি নিয়মিতভাবে চালিয়ে যেতে হবে। মাঝপথে বন্ধ করে দিলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হতে পারে। নিয়ম করে ব্যবহার করলে প্রায় এক মাসের মধ্যে কিছুটা পরিবর্তন চোখে পড়তে পারে—তিলের রং কিছুটা হালকা হতে শুরু করবে। আর প্রায় তিন মাস ধরে চালিয়ে গেলে আরও ভালো ফল পাওয়া সম্ভব।
এই পদ্ধতি অনুসরণ করার সময় কী কী বিষয় মাথায় রাখবেন
যখনই এই পদ্ধতি করবেন, দাঁতখোঁচা অবশ্যই পরিষ্কার হতে হবে, যাতে ত্বকে কোনো ময়লা না লাগে। মালিশ সবসময় হালকা হাতে করতে হবে এবং অতিরিক্ত ঘষাঘষি করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নিয়মিতভাবে ব্যবহার করলেই এর ফল ভালোভাবে দেখা যেতে পারে। এটি একটি ঘরোয়া পদ্ধতি, তাই ধৈর্য রাখা খুবই জরুরি। দ্রুত ফল পাওয়ার আশায় বারবার পদ্ধতি পরিবর্তন না করে একই উপায় সঠিকভাবে চালিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

No comments:
Post a Comment