হুগলি: ভোট প্রচারে বেরিয়েই বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল বৈদ্যবাটি পুরসভার চার নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর রাজু পাড়ুই ওরফে চন্ডের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয় চন্ডে। আর তাঁর গ্রেফতারের পরই উৎসবের আবহ বৈদ্যবাটি এলাকার পদ্ম শিবিরে। রবিবার গেরুয়া আবির উড়িয়ে লাড্ডু বিলি করতে দেখা গেল বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের।
গত ২৬ এপ্রিল ভোটের প্রচারে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। শেওড়াফুলি মণ্ডলের প্রাক্তন সভাপতি স্নেহাংশু মোহন্তর অভিযোগের ভিত্তিতে শ্রীরামপুর থানার পুলিশ তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করে। শ্রীরামপুর থানার একাধিকারিক জানার পুরো ঘটনার তদন্ত চলছে। আজ রবিবার ধৃতকে শ্রীরামপুর আদালতে পেশ করা হয়।
আদালতে যাওয়ার পথে এদিন তৃণমূল কাউন্সিলর চন্ডে স্বীকার করেন ওইদিন বিজেপি কর্মীদের তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, হাত ধরে টেনেছিলেন। কিন্তু তাঁদের মারধর করেননি বলে দাবী করেন তিনি। চন্ডের কথায়, 'গত ২৬ তারিখ বিজেপি কর্মীরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম বিলি করছিলেন বাড়ি-বাড়ি। আমি তখন বলি, ভোটের সময় এগুলো করা যায় না। এরপরেও তাঁরা অস্বীকার করলে হাত ধরে টেনেছিলাম, আবেগের বশে কলার ধরেছিলাম। এটা আমার বিরুদ্ধে চক্রান্ত।'
এদিকে চন্ডে গ্রেফতার হতেই বিজেপি কর্মীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। বিজেপি কর্মীদের দাবী, চন্ডে তৃণমূলের কাউন্সিলর হলেও সে আদতে সমাজ বিরোধী। তার কার্যকলাপ তাই এরকম। তৃণমূল কংগ্রেস এদের প্রশ্রয় দিয়ে মাথায় তুলেছিল। এই ধরণের সমাজ বিরোধীরা যখন গ্রেফতার হয় তখন সকলেরই আনন্দ হয়। তাই চন্ডেকে গ্রেফতারের পরের দিনই বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা খুশিতে আবির মাখেন। লাড্ডু বিলি করে বৈদ্যবাটির বিভিন্ন জায়গায়।

No comments:
Post a Comment