'ভাইপো বাবুর দেখা নাই, পুষ্পা পগারপার!' জাহাঙ্গীর সরতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Tuesday, May 19, 2026

'ভাইপো বাবুর দেখা নাই, পুষ্পা পগারপার!' জাহাঙ্গীর সরতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর


দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নির্বাচনের মাত্র দু'দিন আগে ভোটের ময়দান থেকে পিছু হঠলেন তৃণমূলের প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করে একথা ঘোষণা করেন জাহাঙ্গীর তথা 'পুষ্পা'। আর এদিনই ফলতায় হাইভোল্টেজ রোড শো করে বিজেপি। দলীয় প্রার্থী দেবাংশু পন্ডার সমর্থনে রোড শো করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখান থেকেই 'পুষ্পা' তথা জাহাঙ্গীরকে তীব্র কটাক্ষ করেন তিনি। নাম না করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এক হাত নেন মুখ্যমন্ত্রী।


শুভেন্দু বলেন, "পুষ্পা বলেছিলেন ঝুঁকেগা নেহি। ভাইপোর ভরসায় লড়েছিলেন। তিনি এখন এমন ঝুঁকে পড়েছেন, বলছেন 'আমি সরে গেলাম'। সরিয়ে তো আপনাকে দিতই মানুষ ২১ তারিখ। আপনি তো পোলিং এজেন্টই পেতেন না। আপনাকে গাছে তুলেছিলেন মাননীয় ভাইপো।" 


শুভেন্দু বলেন, "ভাইপো বাবুর দেখা নাই। তাই যে পুষ্পা বলেছিল ঝুঁকেগা নেহি। পুষ্পা আজকে বলছে আমি পগারপার। আমি এই নির্বাচনে লড়ছি না।‌" তাঁর কথায়, "আপনাদের শুধু বলব, এটা তৃণমূলের কৌশল যাতে আপনারা ভাবেন যে, জিতে তো গেছি ভোটটা না দিলেও চলবে। ১০ বছর পর ভোট দেওয়ার স্বাদ পেয়েছেন। ১০০ শতাংশ ভোট চাই। তিন‌ নম্বর বোতাম টেপা চাই। পদ্মফুলে ভোট চাই।"


সেইসঙ্গে এই নির্বাচনে জয়ের পর ফলতায় আবার আসবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আশ্বাস দেন কাজ দেওয়ার। তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রী আসবে ২৪-এর পরে। সেচ চালু করবে, হাতে কাজ দেবে, পেটে ভাত দেবে, মাথায় ছাদ দেবে। ফলতাকে নতুন করে দেবাংশুর নেতৃত্বে সাজিয়ে দেব আমরা।"


উল্লেখ্য, আগামী ২১মে ফলতা কেন্দ্রে পুনর্নির্বাচন। আজ মঙ্গলবারই প্রচারের শেষ দিন। তার আগেই নিজেই ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়ে দেন, তিনি নির্বাচনের লড়াই থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন। তাঁর কথায়, 'আমি চাইব, ফলতা শান্তিতে থাকুক, ভালো থাকুক।' তিনি বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ফলতার উন্নয়নের জন্য বিশেষ প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেজন্য ২১ মে পুননির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম। সোনার ফলতা হোক, এটাই আমার স্বপ্ন ছিল।' 


গত ২৯ এপ্রিল ফলতায় ব্যাপক হারে রিগিং ধরা পড়ায় পুনর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। অভিযোগ ওঠে, ফলতায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খানের নির্দেশে ও পরিচালনায় রিগিং, ইভিএম কারচুপি ইত্যাদি হয়েছিল। সেই জাহাঙ্গীর খানই এদিন নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ালেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad