কলকাতা: আজ পঁচিশে বৈশাখ। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। এই দিনটি রাজ্যজুড়ে সাড়ম্বরে পালিত হয়। কবিগুরুকে স্মরণ করে নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই বিশেষ দিনে কবিগুরুকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শনিবার সমাজমাধ্যমে পোস্টে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেন মোদী। শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ-ও।
প্রধানমন্ত্রী এক্স পোস্টে লিখেছেন, "আজ, পঁচিশে বৈশাখের এই বিশেষ দিনে, আমরা গুরুদেব ঠাকুরের প্রতি আমাদের অন্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।"
তিনি লেখেন, "গুরুদেব ঠাকুর ছিলেন এক অসাধারণ প্রতিভার অধিকারী সাহিত্যিক, চিন্তক ও কবি। তিনি একজন অনন্য দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, শিল্পী এবং ভারতীয় সভ্যতার চিরন্তন কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।। তাঁর কাজের মাধ্যমে, তিনি মানবতার গভীরতম অনুভব এবং আমাদের সংস্কৃতির মহত্তম আদর্শগুলিকে বাত্ময় করে তুলেছেন। নতুন ভাবনা, সৃষ্টিশীল শক্তি ও সাংস্কৃতিক আত্মবিশ্বাস দিয়ে তিনি আমাদের সমাজকে সমৃদ্ধ করেছেন।"
প্রধানমন্ত্রী আরও লেখেন, "আমরা গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে তাঁকে স্মরণ করি। তাঁর ভাবনার আলোক আমাদের মনন ও প্রয়াসের পথ প্রদর্শক হয়ে উঠুক।"
রবীন্দ্রজয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে অমিত শাহ লিখেছেন, "কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীতে তাঁকে জানাই শত-শত প্রণাম।"
তিনি আরও লেখেন, "গুরুদেব পরাধীনতার সময়ে সাহিত্য, সঙ্গীত ও দর্শনের মাধ্যমে স্বাধীনতার চেতনাকে নতুন গতি দিয়েছিলেন। তিনি ছিলেন এক মহান কবি এবং ভারতীয় আত্মার শক্তিশালী কণ্ঠস্বর। তাঁর শব্দে ছিল গভীর সংবেদনশীলতা, চিন্তায় ছিল স্বাধীনতার বার্তা এবং সৃষ্টিতে ছিল বিশ্ববন্ধুত্বের চেতনা।"
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লিখেছেন, "তাঁর কালজয়ী সৃষ্টি 'গীতাঞ্জলি' মানবতা, আধ্যাত্মিকতা ও সংবেদনশীলতাকে নতুন দিশা দিয়েছে। 'জন গণ মন'-এর মাধ্যমে তিনি জাতির ঐক্য, মর্যাদা ও আত্মসম্মানকে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। কবিগুরুর জীবন আমাদের স্বাধীন চিন্তা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সাংস্কৃতিক সমন্বয়ের প্রেরণা দেয়। তাঁর আদর্শ, চিন্তাধারা ও সাহিত্য চিরকাল আমাদের পথপ্রদর্শন ও অনুপ্রেরণা জোগাতে থাকবে।"


No comments:
Post a Comment