কলকাতা: বিধানসভায় নব নির্বাচিত বিধায়কদের শপথগ্রহণ। বুধবার প্রথমেই শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন তিনি। বিধানসভায় প্রবেশের পরেই বিআর আম্বেডকরের মূর্তিতে মালা দেন শুভেন্দু। এরপরে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিধানসভা ভবনের ভিতরে ঢোকার আগে জুতো খুলে সিঁড়িতেই নতজানু হয়ে প্রণাম করেন শুভেন্দু। ভিতরে ঢুকে পুজোও করেন তিনি। সমাজমাধ্যমে সে ভিডিও নিজেই শেয়ার করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
এ দিন প্রথমেই বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এর পরে একে একে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু, নিশীথ প্রামাণিকরা। তাঁদের শপথবাক্য পাঠ করান প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।
সূত্রে খবর, উত্তরের ৯ জেলা ও মুর্শিদাবাদের বিধায়করা এদিন শপথ নেবেন প্রথমার্ধে। জানা গিয়েছে, সকাল ১১টা থেকে দুপুর দেড়টার মধ্যে শপথ নেবেন ৭৬ জন বিধায়ক। এর পরে দুপুর ২টো থেকে সাড়ে ৪টে অবধি শপথ নেওয়ার কথা আরও ৮০ জন বিধায়কের। নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিধায়করা নেবেন এ দিন। বৃহস্পতিবার বাকি ১১ জেলার বিধায়করা শপথ নেবেন। সকলকেই শপথবাক্য পাঠ করাবেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়।
রাজ্যে পালাবদলের পর বুধবার বিধানসভায় নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর প্রথম বিধানসভায় পা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে রেড কার্পেটে অভ্যর্থনা জানানো হয় তাঁকে।
রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতর নবান্নের পর এবার বিধানসভাতেও শুভেন্দু অধিকারীকে 'গার্ড অফ অনার' দিয়ে সম্মান জানানো হয়। এদিন বিধানসভা চত্বরে শুভেন্দু অধিকারীকে ঘিরে উদ্দীপনা ছিল চোখে পড়ার মতো।
এবারের নির্বাচনে নন্দীগ্রাম এবং ভবানীপুর জোড়া কেন্দ্রে জয়লাভ করলেও, এদিন ভবানীপুর কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবেই শপথবাক্য পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন সকাল থেকেই বিধানসভা চত্বরে ছিল সাজো সাজো রব। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানানোর জন্য আগে থেকেই সমস্ত প্রস্তুতি চূড়ান্ত করে রেখেছিল বিধানসভা কর্তৃপক্ষ।
কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে গাড়ি থেকে নামতেই এদিন মুখ্যমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। বিধানসভার পদস্থ আধিকারিক থেকে শুরু করে নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা তাঁকে স্বাগত জানাতে সেখানে হাজির ছিলেন।

No comments:
Post a Comment