ন্যাশনাল ডেস্ক, ০৯ মে ২০২৬: বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের শোচনীয় পরাজয় হয়েছে বাংলায়। বিজেপি নিরঙ্কুশ জয় পেয়েছে। বঙ্গ রাজনীতির এই পালাবদল নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে জিতন রাম মাঞ্জির দল (এইচএএম)। হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চা (সেকুলার)-এর জাতীয় সভাপতি তথা বিহার সরকারের মন্ত্রী ডঃ সন্তোষ কুমার সুমন শুক্রবার (৮ মে, ২০২৬) একটি বিবৃতি জারি করে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গৃহবন্দী করার দাবী জানিয়েছেন।
সন্তোষ সুমন পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন যে, রাজ্যটি দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক সহিংসতা, দুর্নীতি এবং পৃষ্ঠপোষকতাপ্রাপ্ত মাফিয়া ব্যবস্থায় জর্জরিত, যা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করে দিয়েছে। তাঁর দাবী, বাংলার মানুষ ভয়, নৈরাজ্য এবং রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হচ্ছেন।
তিনি বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যবে থেকে ওখানে হয়েছে, অরাজক তত্ত্ব পুরো মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। সব জায়গায় ভয়ের পরিবেশ ছিল। ব্যবসায়ীরাও ভয়ে ভয়ে থাকতেন। নির্বাচনে কারচুপি করে তিনি ক্ষমতায় চলে আসতেন। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার কার্ড বানিয়ে, ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতেন।" তিনি বলেন, "বাংলার এমন অরাজকতার স্থিতি ছিল, মনে হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাকে কোনও অন্য দেশে বেচতে চাইছিলেন।"
তিনি বলেন, "তাঁর (মমতার) আন্তর্জাতিক যোগসূত্র কী, কারণ সীমান্তে সন্ত্রাসী এই এলাকা দিয়েই ঢোকে; বিশেষ করে নেপাল, বাংলাদেশ থেকে। কোথাও না কোথাও সেখানকার স্থানীয় সরকারের হাত থাকতে পারে। এইসব বিষয়ের তদন্ত হওয়া উচিৎ।"
সন্তোষ কুমারের কথায়, "শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ককে কীভাবে গুলি করে মারা হল! কতটা সাহস তাদের!" তিনি বলেন, "নতুন সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমার আবেদন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র রয়েছে, সেটার তদন্ত হওয়া উচিৎ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপোকে নজরবন্দি করা উচিৎ। শুধু তাই নয়, তাঁদের সকল ঘনিষ্ঠদের নজরবন্দি, পাকড়াও করে গভীর জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিৎ। এনারা দেশের ও আন্তর্জাতিক সুরক্ষার জন্যও হুমকি। আর এখানে শান্তি বহালের জন্য এটা অত্যন্ত জরুরি।"


No comments:
Post a Comment