১. উচ্চ রক্তচাপ
দীর্ঘদিন ধরে উচ্চ রক্তচাপ থাকলে হৃদ্যন্ত্রের উপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে। এতে ধমনির ক্ষতি হতে পারে এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
২. ডায়াবেটিস
ডায়াবেটিস রক্তনালীকে ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ফলে কোলেস্টেরল স্বাভাবিক থাকলেও হৃদ্রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
৩. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য
ধূমপান রক্তনালীর ভেতরের আবরণ নষ্ট করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়ায়। এটি হার্ট অ্যাটাকের অন্যতম বড় ঝুঁকির কারণ।
৪. পারিবারিক ইতিহাস
পরিবারে অল্প বয়সে কারও হার্ট অ্যাটাক বা হৃদ্রোগের ইতিহাস থাকলে জিনগত কারণেও ঝুঁকি বেশি হতে পারে।
৫. অতিরিক্ত মানসিক চাপ
দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, উদ্বেগ ও পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব হৃদ্স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
৬. স্থূলতা ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তা
নিয়মিত ব্যায়াম না করা এবং অতিরিক্ত ওজন হৃদ্রোগের ঝুঁকি বাড়ায়, এমনকি কোলেস্টেরল স্বাভাবিক থাকলেও।
৭. রক্তনালীর প্রদাহ
কিছু মানুষের ক্ষেত্রে ধমনিতে প্রদাহ বা ক্ষুদ্র প্লাক তৈরি হতে পারে, যা হঠাৎ ফেটে গিয়ে রক্ত জমাট বাঁধার মাধ্যমে হার্ট অ্যাটাক ঘটাতে পারে।
হার্ট ভালো রাখতে কী করবেন?
• সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট হাঁটা বা ব্যায়াম করুন।
• ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলুন।
• রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল নিয়মিত পরীক্ষা করুন।
• পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
• সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
• বুকে ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘাম বা অস্বাভাবিক অস্বস্তি হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
মনে রাখবেন: শুধু কোলেস্টেরলের রিপোর্ট নয়, হৃদ্স্বাস্থ্যের জন্য রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, জীবনযাপন, পারিবারিক ইতিহাস এবং অন্যান্য ঝুঁকিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

No comments:
Post a Comment