নীট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র নেতৃত্বে হওয়া ছাত্র আন্দোলন শেষ হওয়ার পর নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনে অংশ নেওয়া কয়েকজন ছাত্র-যুবকের ওপর হামলা, হুমকি এবং প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করার অভিযোগ উঠেছে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কিছু বিক্ষোভকারীকে ঘিরে ধরে প্রশ্ন করা হচ্ছে, কেউ কেউ মারধরের শিকার হচ্ছেন, আবার কাউকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বাধ্য করা হচ্ছে। তবে এসব ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।
অভিযোগ উঠেছে, আন্দোলন শেষ হওয়ার পর কিছু বিজেপি-সমর্থক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বিক্ষোভকারীদের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে তাঁদের পরিচয় সামনে আনছে এবং তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছে। কিছু পোস্টে তাঁদের প্রতিবেশী, সহপাঠী ও কর্মস্থলেও পরিচয় ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, আন্দোলনের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপি এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে নিয়ে কিছু আপত্তিকর মন্তব্যের ভিডিওও ভাইরাল হয়েছিল। সরকার-সমর্থকদের দাবি, এসবের কারণে আন্দোলনের মর্যাদা নষ্ট হয়েছে। তবে সিজেপি এবং তাদের সমর্থকদের বক্তব্য, কয়েকজনের আচরণের জন্য পুরো আন্দোলনকে দোষী করা ঠিক নয়।
এদিকে, ইন্ডিয়ান ইয়ুথ কংগ্রেস অভিযোগ করেছে, প্রশ্নফাঁসের জবাবদিহি চাওয়া ছাত্রদের ভয় দেখানো হচ্ছে। যাঁরা হামলা, হুমকি বা অনলাইনে হয়রানির শিকার হয়েছেন, তাঁদের সামনে এসে অভিযোগ জানানোর আবেদনও জানিয়েছে সংগঠনটি।
আরএসএস-ঘনিষ্ঠ চিন্তাবিদ টি. জি. মোহনদাসের একটি মন্তব্য নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, তিনি বলেছিলেন যে তাঁর হাতে দায়িত্ব থাকলে তিনি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিতেন। পরে আরএসএস জানায়, এটি তাঁর ব্যক্তিগত মতামত, সংগঠনের অবস্থান নয়।

No comments:
Post a Comment