বারুইপুর ধ-র্ষণ-খুনের ঘটনায় এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ১ অভিযুক্তের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, July 8, 2026

বারুইপুর ধ-র্ষণ-খুনের ঘটনায় এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ১ অভিযুক্তের

 


দক্ষিণ ২৪ পরগনা: বারুইপুর ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় এনকাউন্টার! পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল অন্যতম অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে। সেই সময় পালানোর চেষ্টা করায় গুলি চালায় পুলিশ। মৃত্যু হয় ধৃত প্রভাসের।


অভিযোগ, ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে গুলি চালায় ওই অভিযুক্ত। এর পরই পুলিশও গুলি চালাতে বাধ্য হয়। পুলিশি এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় অভিযুক্তের। এই অভিযুক্তকেই নির্যাতিতার সঙ্গে দেখা গিয়েছিল সিসিটিভি ফুটেজে। রাজ্যে এই প্রথম ধর্ষণ-খুন মামলায় এনকাউন্টার হল।


জানা গিয়েছে, অপরাধের পুর্ননির্মাণের জন্য পুলিশ মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্তকে নিয়ে বারুইপুরের সূর্যপূরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। রাত ১২ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত আচমকাই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায়। তখন পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে গেলে, চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন। 


শনিবার থেকে নিখোঁজ ছিল নাবালিকা। রবিবার পুকুর থেকে তাঁর বস্তাবন্দি দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়দের দাবী, এই অভিযুক্তই স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে রেল লাইনের পাশে পুকুর থেকে নির্যাতিতার মৃতদেহ উদ্ধার করিয়েছিল। পুলিশের দাবী, ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু হওয়ার ঠিক আগে অভিযুক্ত এক পুলিশকর্মীর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশ দলকে লক্ষ্য করে এক রাউন্ড গুলি চালায় এবং সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ পাল্টা গুলি চালায়। তাতেই জখম হয় অভিযুক্ত। এরপর তাঁকে দ্রুত বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। 



সেইসঙ্গে পলাতক খুন এবং ধর্ষণের ঘটনায় জড়িত চতুর্থ জনকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। বারুইপুরে গিয়ে ডিজিপিকে ৭২ ঘণ্টার সময় বেঁধে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, নির্যাতিতার মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে পুলিশের কোনও গাফিলতি থাকলেও কড়া অ্যাকশন নেওয়া হবে। এরপরই এদিন রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টার।


পুলিশ জানিয়েছে, প্রভাসকে জেরা করেই বাকি অভিযুক্তদের হদিশ মিলেছিল। তবে, মৃত যুবক বারবার বয়ান বদল করে পুলিশকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছিল। এদিকে বারুইপুরে পুলিশের ওপর হামলার ঘটনাতেও কড়া পদক্ষেপ করেছে প্রশাসন। ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মোট ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad