কাছের কেউ ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমের শিকার নয় তো? বুঝে নিন এইভাবে - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Saturday, July 25, 2026

কাছের কেউ ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমের শিকার নয় তো? বুঝে নিন এইভাবে


লাইফস্টাইল ডেস্ক, ২৫ জুলাই ২০২৬: কোনও মর্মান্তিক ঘটনা আমাদের গভীর ধাক্কা দেয়। আর এই ধাক্কা হৃদয়ের ওপর যে প্রভাব ফেলে তা আমরা সবাই কমবেশি জানি। দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া বা অনেক সময় কারও ইচ্ছা অনুযায়ী কিছু না ঘটলে, হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো অনুভব হয়। এর পেছনে রয়েছে শারীরিক ও মানসিক চাপ। হৃদয় ভেঙে যাওয়ার মতো অনুভূতিকে ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমও বলা হয়। এই সিনড্রোমের কারণে হৃৎপিণ্ডের পেশী দুর্বল হয়ে পড়ে, তাই এর নাম এমনটা দেওয়া হয়েছে।

হঠাৎ মানসিক অস্থিরতা বা অতিরিক্ত শারীরিক চাপের কারণে ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম হতে পারে। এতে করে, হৃদপিন্ডের পেশী দুর্বল হয়ে যায়, যার কারণে রক্ত পাম্প করা কঠিন হয়ে পড়ে। এটি স্থায়ী রোগ না হলেও শরীরের সব অংশেই এর প্রভাব দেখা যায়।


 ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম কি?

 ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমের কিছু লক্ষণ আছে, যা জানলে বুঝতে পারবেন কেউ ব্রোকেন হার্ট সিনড্রোমের শিকার হয়েছেন। এই স্বাস্থ্যগত অবস্থায় হঠাৎ করে বুকে প্রচণ্ড ব্যথা এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বুকে চাপ অনুভবের কারণে রক্তচাপ কমতে শুরু করে। এর পাশাপাশি আক্রান্ত ব্যক্তি অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারেন।


অনিয়মিত বা দ্রুত হৃদস্পন্দনও ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোমের একটি উপসর্গ। মায়ো ক্লিনিকের মতে, এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও সামনে আসেনি। তবে, এর পেছনে মানসিক চাপ একটি বড় কারণ হতে পারে।


 স্ট্রেস হরমোন ক্ষতি করে

কোনও শারীরিক বা মানসিক চাপ বেড়ে গেলে শরীরে স্ট্রেস হরমোন নিঃসৃত হয়। এর কারণে হার্টের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়, যদিও এই ক্ষতি বেশিদিন হয় না, তবে স্ট্রেস হরমোনগুলি হার্টের কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে।


ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোম থেকে বাঁচার উপায়

ব্রোকেন হার্ট সিন্ড্রোমের অবস্থা এড়াতে কিছু সহজ পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। এটি প্রতিরোধ করার জন্য, চাপ ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন। এ জন্য স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের পাশাপাশি নিয়মিত হাঁটা ও ব্যায়াম করুন। এছাড়াও ধ্যান এবং যোগব্যায়ামকে আপনার জীবনধারার একটি অংশ করুন। সঠিক ডায়েট এবং পর্যাপ্ত ঘুম আপনাকে এই সিনড্রোম থেকে রক্ষা করতে পারে।


অতিরিক্ত চাপ শরীর-মন দুইয়েরই ক্ষতি করে। তাই সমস্যা কম থাকতেই কোনও বিশেষজ্ঞ বা আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। 





No comments:

Post a Comment

Post Top Ad