আসল তৃণমূল কেন? জবাব দিতে ঋতব্রতদের সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, July 8, 2026

আসল তৃণমূল কেন? জবাব দিতে ঋতব্রতদের সময়সীমা বেঁধে দিল কমিশন


কলকাতা: কারা আসল? এই নিয়ে দুই তৃণমূলে দড়ি টানাটানি চলছে। অবশ্য সোমবারই এই প্রশ্নের জবাবে নির্বাচন কমিশনে নিজেদের অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে মমতার তৃণমূল। তবে ঋতব্রত তৃণমূলের তরফে কমিশনের কাছে নথি জমা দেওয়ার জন্য আরও খানিকটা সময় চাওয়া হয়েছিল। নিজেদের 'আসল তৃণমূল' দাবী করা সেই শিবিরকে সময় দিল কমিশন। নিজেদের দাবীর সমক্ষে নথি দেওয়ার জন্য আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত ঋতব্রতদের সময় দেওয়া হল। কমিশন সূত্রে খবর, সোমবার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর ই-মেলের মাধ্যমে ঋতব্রত শিবিরকে জানিয়ে দেওয়া হয় যে, আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত তারা নিজেদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারবে।


গত সপ্তাহে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল এবং উলুবেড়িয়া পূর্বের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল- দু'পক্ষকেই চিঠি দিয়ে সংগঠনগত নির্বাচন, অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী এবং দলের ওপর দাবী-দাওয়া কীসের ভিত্তিতে, সেসবের লিখিত জবাব চেয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার মধ্যে সেই জবাব জমা দেওয়ার নির্দেশ ছিল।


 মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবির নির্বাচন কমিশনের কাছে নিজেদের বিস্তারিত জবাব জমা দেয়

নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই। সেই জবাবে ঋতব্রত শিবিরের সমস্ত দাবী খারিজ করে দেওয়া হয়েছে বলে কমিশন সূত্রের খবর। অন্যদিকে, ঋতব্রত শিবিরের তরফে এক আইনজীবী কমিশনে গিয়ে অতিরিক্ত সময়ের আবেদন জানান। এরপরেই কমিশনের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, ১০ জুলাই পর্যন্ত সময় বাড়ানো হচ্ছে। কমিশন সূত্রে দাবী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব পাওয়ার পরই দুই পক্ষের দাবী, পাল্টা দাবী এবং জমা পড়া নথি খতিয়ে দেখে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে।


উল্লেখ্য, ঋতব্রত-সহ তাঁর শিবিরে থাকা ন'জন গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান। ১০ প্রতিনিধির মধ্যে ৯ জন বিধায়ক, এক জন প্রাক্তন মন্ত্রী। ঋতব্রতদের বেলা ১২টায় সময় দিয়েছিলেন জ্ঞানেশ কুমারেরা। নির্বাচন কমিশনের দফতর থেকে বেরিয়েই আরও এক বার নিজেদের 'আসল তৃণমূল' বলে দাবী করেন ঋতব্রতেরা।


অন্যদিকে, ঋতব্রতদের এই পদক্ষেপকে অবশ্য কটাক্ষ করে মমতার তৃণমূল। বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “তৃণমূল মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সমস্ত কর্মী এবং সমর্থক তাঁর সঙ্গেই আছেন। যাঁরা আজকে নিজেদের 'আসল' বলে দাবী করছেন, দু'মাস আগে কমিশনে তাঁরা যে হলফনামা দিয়েছিলেন, তার নির্দিষ্ট দু'টি ফর্মে মমতাদি এবং অভিষেকের সই ছিল। আজকে ভাড়াটিয়া নিজেকে বাড়ির মালিক বলে দাবী করলে কী হবে?” পরে দিল্লী সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষ এবং লোকসভার সাংসদ সৌগত রায় ঋতব্রতদের কমিশন-সফরকে 'অবৈধ' বলেও তোপ দাগেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad