মন্দিরে গেলে ঘণ্টা বাজান নিয়ম মেনে, এক ভুলেই হতে পারে হিতে বিপরীত - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, August 19, 2026

মন্দিরে গেলে ঘণ্টা বাজান নিয়ম মেনে, এক ভুলেই হতে পারে হিতে বিপরীত


বিনোদন ডেস্ক, ১৯ আগস্ট ২০২৬: পুজোপাঠ আমাদের সকলের বাড়িতে হয়। আবার অনেকেই মন্দিরে গিয়ে পুজোপাঠ করেন। আর এই সময় ঘণ্টাও বাজানো। কিন্তু বাড়িতে পুজো হোক বা মন্দিরে ঘণ্টা বাজানোর কিছু নিয়ম-নীতি রয়েছে। পুজোর সময় ঘণ্টা বাজানোর বিশেষ রীতি রয়েছে। ধর্মপ্রাণ মানুষের বিশ্বাস এই ঘণ্টা ধ্বনির জন্য একদিকে যেমন নকারত্মক শক্তি চলে যায়, অন্যদিকে শুভশক্তি জেগে ওঠে। তবে যখন-তখন ঘন্টা বাজানো উচিৎ না। ভুল সময়ে ঘণ্টা বাজালে ক্ষতি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা। এমন কিছু নিয়ম আছে, যা না মানলে হিতে বিপরীত হওয়ার ভয় থাকে। চলুন, সে সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক। 


ঘণ্টার শব্দে চারপাশের খারাপ শক্তি একদম দূর হয়ে যায়। বদলে একটা খুব পবিত্র পরিবেশ তৈরি হয়। অনেক বড় মন্দিরের দরজায় বেশ বড় ঘণ্টা ঝোলানো থাকে। সেগুলো বাজালে বেশ সুন্দর একটা ‘ওম’ ধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়। এই ধ্বনি মানুষের চঞ্চল মনকে খুব শান্ত করে দেয়। মন শান্ত থাকলে ভগবানের ধ্যানে বসতে সুবিধা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, মন্দিরে ঢোকার সময়েই ঘণ্টা বাজানো সবচেয়ে ভালো। এতে চারপাশের ভালো শক্তি জেগে ওঠে। 


তবে, মা লক্ষ্মীর পুজোয় কখনও ঘণ্টা বাজানো ঠিক নয়। মা লক্ষ্মী খুব শান্ত স্বভাবের দেবী। তিনি শান্তিতে থাকতেই বেশি ভালোবাসেন। ঘণ্টার জোরে আওয়াজ তাঁর একদমই পছন্দ নয়। তাই বৃহস্পতিবার লক্ষ্মী পুজো করার সময় ঘণ্টা বাজানো উচিৎ নয়। এতে বাড়ির লক্ষ্মীশ্রী নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় থাকে।


আরও একটা খুব জরুরি নিয়ম হল, পুজো দিয়ে মন্দির থেকে বেরনোর সময় কখনও ঘণ্টা বাজাতে নেই। বলা হয়, মন্দিরে ঢোকার সময় ঘণ্টা বাজালে যে সকারত্মক বা ভালো শক্তির জন্ম হয়, বেরনোর সময় বাজালে সেই শক্তি নষ্ট হয়ে যায়। তাই মন্দিরে ঢোকার সময় প্রাণভরে ঘণ্টা বাজান, কিন্তু পুজো শেষে ফেরার পথে কখনও নয়।



বি.দ্র: এখানে দেওয়া তথ্য সাধারণ বিশ্বাস ও মান্যতার ওপর ভিত্তি করে ‌ বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad