বিনোদন ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬: বাঙালির রান্নাঘরে শাকের কদর বরাবরই আলাদা। এর মধ্যে কুমড়ো শাকের স্বাদ ও গন্ধ অন্যতম। এটা যেন গ্রামবাংলার রান্নার সঙ্গে মিশে আছে। সাধারণত কুমড়ো শাক ভাজা, চচ্চড়ি কিংবা ডালের সঙ্গে রান্না করা হয়। তবে একটু অন্যভাবে রান্না করলে এই পরিচিত শাক দিয়েই তৈরি করা যেতে পারে দারুণ মুখরোচক একটি পদ—কুমড়ো শাকের মুচমুচে বড়া।
দুপুরের ভাতের সঙ্গে হোক বা বিকেলের জলখাবারে, এই পদটি হতে পারে পরিবারের সকলের পছন্দের। বিশেষ করে যাঁরা একই ধরণের শাকের পদ খেয়ে ক্লান্ত, তাঁদের জন্য এটি হতে পারে বেশ মজার পরিবর্তন।
কী কী উপকরণ লাগবে?
কুমড়ো শাক – ২ আঁটি
বেসন – ১ কাপ
চালের গুঁড়ো – ২ টেবিল চামচ
পেঁয়াজ কুচি – ১টি
কাঁচালঙ্কা কুচি – ২টি
রসুন কুচি – ১ চা চামচ
কালোজিরে – আধ চা চামচ
হলুদ গুঁড়ো – সামান্য
লঙ্কার গুঁড়ো – স্বাদমতো
লবণ – স্বাদমতো
জল – প্রয়োজনমতো
সর্ষের তেল – ভাজার জন্য
কীভাবে তৈরি করবেন?
প্রথমে কুমড়ো শাক ভালো করে ধুয়ে জল ঝরিয়ে নিন। শাকের মোটা ডাঁটি বাদ দিয়ে পাতাগুলি ও নরম ডাঁটি খুব ভালো করে কুচিয়ে নিন।
এবার একটি পাত্রে কুচোনো শাকের সঙ্গে বেসন, চালের গুঁড়ো, পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা, রসুন, কালোজিরে, হলুদ, লঙ্কার গুঁড়ো ও লবণ মিশিয়ে নিন। শাক থেকে কিছুটা জল বের হবে, তাই একসঙ্গে বেশি জল না দিয়ে অল্প অল্প করে মিশিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করুন। চাইলে এই মিশ্রণে সামান্য ভাজা জিরের গুঁড়ো বা এক চিমটি পাঁচফোড়নের গুঁড়ো মিশিয়ে স্বাদে আরও বৈচিত্র্য আনা যায়। এছাড়া আপনি যদি নিরামিষ পছন্দ করেন, তাহলে পেঁয়াজ-রসুন বাদ দিতে পারেন।
এরপর কড়াইয়ে সর্ষের তেল গরম করে হাতের সাহায্যে অল্প অল্প করে মিশ্রণ নিয়ে বড়ার আকারে তেলে ছেড়ে দিন। মাঝারি আঁচে ধীরে ধীরে ভাজুন। দুই দিক সুন্দর বাদামি ও মুচমুচে হয়ে গেলে তেল থেকে তুলে নিন।
গরম গরম কুমড়ো শাকের বড়া পরিবেশন করুন কাঁচা পেঁয়াজ, কাঁচালঙ্কা অথবা ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে। এছাড়া দুপুরে গরম ভাতের সঙ্গেও এই বড়া অসাধারণ খেতে লাগবে। তাহলে আর দেরি কেন! ঝটপট কদিন বানিয়ে দেখতে পারেন এই মুচমুচে কুমড়ো শাকের বড়া।

No comments:
Post a Comment