মধ্যপ্রাচ্যে চাপ কমাতে ১০ দিনের বিরতি, কূটনীতিতে জোর ট্রাম্পের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, March 27, 2026

মধ্যপ্রাচ্যে চাপ কমাতে ১০ দিনের বিরতি, কূটনীতিতে জোর ট্রাম্পের



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১০:২০:০১ : ইরানের সঙ্গে সংঘাতের মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বড় দাবি করেছেন। তিনি জানান, তেহরানের অনুরোধে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলা তিনি ১০ দিনের জন্য স্থগিত রাখছেন। এই সময়সীমা বাড়িয়ে ৬ এপ্রিল ২০২৬, সন্ধ্যা ৮টা পর্যন্ত করা হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, এই সময়ের মধ্যে আলোচনা চলছে এবং বিভিন্ন ভুল তথ্য ছড়ালেও আলোচনা যথেষ্ট ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছে।



যুদ্ধ তীব্র হওয়ার পর ইরানের জ্বালানি খাতকে লক্ষ্য করে মার্কিন হামলায় এটিই প্রথম বড় ধরনের শিথিলতা। এর ফলে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় মার্কিন ও ইজরায়েলি হামলা চলছিল, যার উদ্দেশ্য ছিল তেহরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতা দুর্বল করা।



এর জবাবে ইরানও পাল্টা আক্রমণ চালায়। বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটি ও তাদের মিত্রদের অবকাঠামো লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা করা হয়। ফলে সংঘাত ক্রমেই বড় আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে ১০ দিনের এই বিরতি আদৌ স্থায়ী যুদ্ধবিরতির দিকে নিয়ে যাবে, নাকি সাময়িক বিরতি হিসেবেই থাকবে—তা এখনো স্পষ্ট নয়। ট্রাম্প তার ঘোষণায় এই বিরতির কোনও শর্তের উল্লেখ করেননি, তবে ইরানের অনুরোধের প্রসঙ্গ উঠে আসায় দুই পক্ষের মধ্যে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনার ইঙ্গিত মিলছে।



এর আগে ট্রাম্প দাবী করেছিলেন, ইরান আমেরিকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে ১০টি তেলবাহী জাহাজ পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান। প্রথমে আটটি জাহাজের অনুমতি দেওয়ার কথা থাকলেও পরে সংখ্যা বাড়িয়ে ১০ করা হয়।



২২ মার্চ ট্রাম্প ইরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন—৪৮ ঘন্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় বড় আক্রমণ চালানো হবে। তিনি বলেন, জলপথ সম্পূর্ণ নিরাপদ না হলে বড় বড় জ্বালানি কেন্দ্র ধ্বংস করা হবে। তবে পরদিন ইতিবাচক আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়ার পর তিনি পরিকল্পিত হামলা পাঁচ দিনের জন্য স্থগিত করেন। ট্রাম্পের মতে, দুই পক্ষই উত্তেজনা কমাতে গঠনমূলক আলোচনা করেছে, যদিও ইরানের দাবী ছিল এটি আমেরিকার কঠোর অবস্থান থেকে সরে আসার ইঙ্গিত।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad