নবান্নে শমীক, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া বার্তা - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, May 6, 2026

নবান্নে শমীক, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া বার্তা


কলকাতা: রাজ্য প্রথমবার পদ্ম ফুটেছে। দু'শোর বেশি আসন নিয়ে রাজ্য সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। এই পরিস্থিতির মাঝেই পদ ছাড়ার কথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মুখে। বললেন, 'হিংসা বন্ধ করতে না পারলে ইস্তফা দেব।"


ভোট পরবর্তী হিংসা থামানো ও শপথগ্রহণ প্রক্রিয়া সংক্রান্ত আলোচনা সারতে বুধবার নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। একইসঙ্গে ভোট পরবর্তী হিংসা প্রসঙ্গে শমীক বলেন, "ছবি দিন, নাম দিন। আমি ব্যবস্থা নেব। এটা বিজেপির সংস্কৃতি নয়। হিংসা বন্ধ করতে না পারলে ইস্তফা দেব।"


ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই গোটা রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়-সহ নেতা কর্মীদের ওপরে হামলার অভিযোগ উঠছে। সেই রাজৈনিতক হিংসা বন্ধে আগেই কড়া বার্তা দিয়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। এ দিনও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কড়া সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। 


এদিন শমীক ভট্টাচার্য আরও বলেন, "যদি বিজেপির পতাকা নিয়ে তৃণমূলের লোকজন তৃণমূলের ওপর অত্যাচার করেন, তার দায় এই মুহূর্তে বিজেপি নেবে না। কারণ এখনও পর্যন্ত আমরা সরকার গঠন করিনি। আমি ছ'মাস আগে থেকেই প্রত্যেককে বলেছিলাম, পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল চলে গেছে, তৃণমূল চলে যাচ্ছে, চলে যাবেও। তৃণমূল চলে যাওয়ার পর সরকার গঠন হওয়ার আগে পর্যন্ত রাজ্যপাল ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্ব নিতে হবে, তৃণমূলকে তৃণমূলের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য।"


তাঁর কথায়, "অশান্তির খবর পেলে দরকার হলে আমি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করব। আমরা জিতলাম, অথচ আমাদের দু'জন কর্মী মারা গেলেন। তা সত্ত্বেও আমরা অশান্তি চাই না। কারা এরকম করছেন, নাম দিন, ছবি দিন, আমরা গ্রেফতার করাব। আমি কথা দিচ্ছি। না হলে রাজ্য সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেব।"


দুই শতাধিক আসন পেয়ে সরকার গঠন করতে চলেছে বিজেপি। বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর এদিন প্রথমবার নবান্নে এলেন শমীক ভট্টাচার্য। বুধবার দুপুর ৩টে নাগাদ শমীক নবান্নে প্রবেশ করেন। এদিন নবান্নে প্রবেশ করার আগে শমীক ফের বলেন, "ভোট-পরবর্তী হিংসা বরদাস্ত করা হবে না।" এর আগে এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল ১০টায় ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে শপথগ্রহণের অনুষ্ঠান। তার আগে ৮ মে বিধায়কদলের বৈঠক হবে। 


বাংলায় ১৫ বছর পর পালাবদল। এবার বাংলার মসনদে কে, তা নিয়েও জোর জল্পনা চলছে। চলতি সপ্তাহান্তেই বাংলার নতুন মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। সেই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করতে রাজ্যের পূর্বতন সরকারের প্রশাসনিক ভবন নবান্নে হাজির হন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও মুখ্যসচিব দুষ্যন্ত নারিয়াওয়ালা।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad