ন্যাশনাল ডেস্ক, ৩০ মে ২০২৬: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার সাথে সাথেই অ্যাকশনে থালাপতি বিজয়। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ করেছে বিজয়ের সরকার। এবারে সরকারি কর্মচারীদের সকাল ১০ টার আগে অফিসে আসার নির্দেশ। তাঁর সরকার মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগে কর্মরত সকল কর্মচারীর জন্য বায়োমেট্রিক এবং মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ-ভিত্তিক উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছে। আরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, সকল কর্মচারীকে সকাল ১০টার আগে অফিসে আসতে হবে। শনিবার জারি করা একটি সার্কুলারে, বিভাগের উপ-সচিব এস. থানকাপাপ্পা জানিয়েছেন যে, সরকারের প্রধান সচিবের নির্দেশ অনুসারে, এই নতুন ডিজিটাল উপস্থিতি ব্যবস্থা ১ জুন, ২০২৬ থেকে কার্যকর করা হবে।
ওই আধিকারিক বলেন, "অতএব, এই বিভাগের সকল আধিকারিক ও কর্মচারীকে সকাল ১০টার আগে অফিসে এসে বায়োমেট্রিক সিস্টেম, ফেস-আইডি উপস্থিতি এবং ম্যানুয়াল উপস্থিতির মাধ্যমে তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।" তিনি আরও জানান যে, সকল আধিকারিক ও কর্মচারীকে ডিউটিরত অবস্থায় তাঁদের পরিচয়পত্র পরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে যে, অনেক কর্মচারী সময়মতো অফিসে আসছেন না বলে অভিযোগ ওঠার পর এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।
এদিকে, অন্য একটি ঘটনায়, তামিলনাড়ুর হিন্দু ধার্মিক ও দাতব্য মন্ত্রী এস. রমেশ একজন ভক্তের ছদ্মবেশে একটি বিখ্যাত মন্দিরে আকস্মিক পরিদর্শন চালান এবং দ্রুত দর্শনের বিনিময়ে ভক্তদের কাছ থেকে অর্থ চাওয়ার অভিযোগে একজন পুরোহিত ও নিরাপত্তাকর্মীদের মুখোশ উন্মোচন করেন। তিরুচেন্দুর সুব্রহ্মণ্য স্বামী মন্দিরে অনিয়মের বিষয়ে ভক্তদের অভিযোগের পর মন্ত্রী এই পরিদর্শন করেন, যেখানে একজন পুরোহিত এবং মন্দিরের নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত দর্শনের জন্য অর্থ দাবী করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। মন্ত্রী একাই মন্দিরে প্রবেশ করেন এবং একজন পুরোহিতের কাছে স্বাভাবিকভাবে দর্শনের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন।
অভিযোগ উঠেছে যে, পুরোহিত অর্থ দাবী করার পর মন্ত্রীর সহকারী ইউপিআই-এর মাধ্যমে সেই অর্থ পাঠিয়ে দেন। মন্ত্রী সংবাদমাধ্যমে বলেন, বেশ কয়েকজন ভক্তের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর, আমি অভিযোগগুলো যাচাই করতে খুব ভোরে মাস্ক পরে মন্দিরে গিয়েছিলাম। আমি দেখতে পাই যে, কিছু পুরোহিত মন্দির কর্তাদের সাথে যোগসাজশে ভক্তদের আগেভাগে দর্শন করানোর নামে টাকা আদায় করছিলেন।”

No comments:
Post a Comment