কলকাতা: সোনারপুরের গিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনা নিয়ে এ বার মুখ খুললেন তৃণমূল তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেককে ঘিরে বিক্ষোভ এবং তাণ্ডবের একটি ভিডিয়ো তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। সেই পোস্ট তুলে ধরে মমতা সমাজমাধ্যমে লেখেন, "শাসক-ই এখন ঘাতক।” তিনি লিখেছেন, 'লজ্জা বিজেপি।'
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে সমাজমাধ্যমে আগেই সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। পোস্টে লেখা হয়েছে, "বিজেপি সমর্থিত দুষ্কৃতকারীদের নৃশংস আক্রমণের পরেও, আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পিছু হটেননি। পরিবর্তে, তিনি বিজেপি-সমর্থিত গুণ্ডাদের ঘটানো এক অকল্পনীয় ক্ষতিতে বিধ্বস্ত একটি পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।"
পোস্টে আরও লেখা হয়েছে, "সহানুভূতি-চালিত রাজনীতি এবং ঘৃণা-চালিত রাজনীতির মধ্যে এটাই পার্থক্য।" পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করা হয়েছে; আজকের ঘটনা আবারও আপনার পরিচালিত রাজনীতির ধরণকে উন্মোচিত করেছে - যা ভীতি প্রদর্শন, সহিংসতা এবং প্রতিহিংসার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
অভিষেককে মারধরের ঘটনায় সরব হয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ-ও। তিনি সমাজমাধ্যম পোস্টে তিনি লিখেছেন, "সোনারপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলা ও অসভ্যতার তীব্র প্রতিবাদ করছি। নিরাপত্তা তুলে নিয়ে হামলার জের আমরা রাজীব গান্ধীর সময়ে দেখেছি। আবার একই প্রবণতা।" তাঁর প্রশ্ন, "এটা হল কী করে? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? কেন অভিষেককে ঘিরে এই তাণ্ডব এতক্ষণ চলতে দেওয়া হল??"
এদিকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন এই ঘটনার সঙ্গে বিজেপির কোনও যোগসূত্র নেই। সংবাদমাধ্যমে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, "বিজেপি এর সঙ্গে যুক্ত নয়। এই ধরণের হেনস্থার ঘটনাকে বিজেপি সমর্থন করে না।" তাঁর আরও বক্তব্য, " তৃণমূল দক্ষিণ ২৪ পরগনায় যা করেছে, বিজেপি যদি চাইত তৃণমূল নেতারা ঘর থেকে রাস্তায় বেরোতে পারতেন না। বিজেপি সংযম বজায় রেখেছে বলেই অভিষেক সোনারপুর পৌঁছতে পেরেছে।


No comments:
Post a Comment