কলকাতা: ব্রিগেডে ইতিহাস। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেইসঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ। খড়গপুর সদর থেকে জয়ী হয়েছেন তিনি। শপথ নিলেন অগ্নিমিত্রা পাল, আসানসোল দক্ষিণের জয়ী বিজেপি প্রার্থী।
এছাড়াও শনিবার শপথ নিলেন অশোক কীর্তনীয়া, বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক। ক্ষুদিরাম টুডু (রানিবাঁধ) ও নিশীথ প্রামাণিক (মাথাভাঙা)। মন্ত্রিসভায় এনারা পাঁচ জন থাকছেন, যদিও দফতর ঘোষণা করা হয়নি।
শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর আসন থেকে জয়ী হয়েছেন। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি।
জাতীয় সঙ্গীত গেয়ে শুরু হয় নয়া বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান। ব্রিগেড মঞ্চে এদিন চাঁদের হাট। মঞ্চে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং উপস্থিত হন। পাশাপাশি যোগী আদিত্যনাথ, চন্দ্রবাবু নাইডু, রেখা গুপ্তা-সহ ২৩ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরাও রয়েছেন মঞ্চে। এছাড়া অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী-সহ একাধিক তারকার সমাবেশ, রয়েছেন বিজেপির কেন্দ্র ও রাজ্যের শীর্ষ নেতৃত্বরা।
শনিবার, ২৫ বৈশাখ, কবিগুরুর জন্মজয়ন্তী। মঞ্চে উঠে প্রথমেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছিলেন শুভেন্দু অধিকারীও। এরপর শপথ অনুষ্ঠানের শুরুতেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অন্যতম সহযোগী প্রবীণ বিজেপি নেতা ৯৭ বছর বয়সী মাখনলাল সরকারকে সংবর্ধনা জানানো হয়। তাঁকে চাদর পরিয়ে সম্মান জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
এদিন সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিমান। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে করে রেসকোর্স, এরপর ব্রিগেডের সভাস্থলে পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এদিন হুডখোলা গাড়িতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য ও বাংলার নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপর শুরু হয় শপথ গ্ৰহণ। প্রথমে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন শুভেন্দু অধিকারী। এরপর একে একে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পল, অশোক কীর্তনীয়া, ক্ষুদিরাম টুডু ও নিশীথ প্রামাণিক।


No comments:
Post a Comment