কলকাতা: রাজ্যের ১৫টি বুথে পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ছিনিয়ে দিল নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২রা মে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের ১১টি বুথ এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের ৪টি বুথে এই পুনর্নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
পুনর্নির্বাচন হবে, ১৪২ মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্রের বুথ নম্বর ৪৬, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৪২, ২১৪, ২১৫, ২১৬, ২৩০, ২৩১, ২৩২ নম্বর বুথে ও ১৪৩ ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের ১১৭, ১৭৯, ১৯৪ ও ২৪৩ নম্বর বুথে।
সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ২৯শে এপ্রিল নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার পর দক্ষিণ ২৪ পরগনার চারটি বিধানসভা কেন্দ্রের ৭৭টি বুথে পুনঃভোটের দাবী ওঠে। সেই দাবী পর্যালোচনা করছে নির্বাচন কমিশন।
কমিশনের তরফে জানানো হয়, ফলতা থেকে ৩২টি, ডায়মন্ড হারবার থেকে ২৯টি, মগরাহাট থেকে ১৩টি এবং বজবজ থেকে তিনটি অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ইভিএম বিকল হওয়া, বুথ দখল, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা ভোটের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের মতো বিষয় উল্লেখ করে সাধারণত রাজনৈতিক দল, প্রার্থী, পোলিং এজেন্ট বা পর্যবেক্ষকদের পক্ষ থেকে পুনর্নির্বাচনের আবেদন আসে।
আধিকারিকরা জানিয়েছেন যে, অভিযোগগুলোর মধ্যে ইভিএম কারচুপি, মেশিনে রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার এবং নজরদারি ক্যামেরায় বাধা দেওয়ার চেষ্টার মতো অভিযোগ রয়েছে।
এই রিপোর্টের ভিত্তিতে, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার, বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তকে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সরেজমিনে পরিদর্শন করার নির্দেশ দেন। জানা গেছে, সুব্রত গুপ্ত ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন এবং অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে পরামর্শ করছেন। তাঁকে প্রতিটি অভিযোগ সরেজমিনে যাচাই করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয় — এই পদক্ষেপটি প্রচলিত পরের দিনের পর্যালোচনা প্রক্রিয়া থেকে ভিন্ন।
এদিকে, ডায়মন্ড হারবার এলাকার মাগরাহাট পশ্চিম থেকে একটি গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সেখানে দাবী করা হয়েছে যে, ভোটারদের ভোটের পছন্দ পর্যবেক্ষণ করার জন্য তাঁদের শার্টের পকেটে স্পাই ক্যামেরা রাখা হয়েছিল। আধিকারিকরা পুনরায় ব্যক্ত করেন যে, কোনও পদক্ষেপ করার আগে সমস্ত অভিযোগ সরেজমিনে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে মূল্যায়ন করা হবে।


No comments:
Post a Comment