শিলিগুড়িতে 'সরাসরি শঙ্কর' কর্মসূচি, জনসাধারণের অভাব-অভিযোগ শুনলেন বিধায়ক! কী বার্তা? - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Sunday, May 24, 2026

শিলিগুড়িতে 'সরাসরি শঙ্কর' কর্মসূচি, জনসাধারণের অভাব-অভিযোগ শুনলেন বিধায়ক! কী বার্তা?

 


নিজস্ব সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগের কথা সরাসরি শুনতে বাঘাযতীন পার্কে 'সরাসরি শঙ্কর' কর্মসূচির আয়োজন করলেন শিলিগুড়ির বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর। রবিবার অনুষ্ঠিত এই কর্মসূচিতে কয়েকশো মানুষ উপস্থিত হয়ে নিজেদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বিধায়কের সামনে তুলে ধরেন।


এদিন অভিযোগকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ছিলেন ২০১৬ সালের নিয়োগ দুর্নীতির শিকার চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁরা নিজেদের দাবী-দাওয়া ও সমস্যার কথা বিধায়কের কাছে জানান। পাশাপাশি জমি সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগও শোনেন শঙ্কর ঘোষ। শুধু শিলিগুড়ি নয়, ভিন জেলা থেকেও বহু মানুষ এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে আসেন।


বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, "১৫ বছরের যে জঞ্জাল এই রাজ্যে তৈরি হয়েছে, তা তো ১৫ দিনে পরিষ্কার করে দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের নির্দেশ অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করছি পশ্চিমবঙ্গের মানুষের সরকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। কোনও রাজনৈতিক দলের সরকার নয়।"


তাঁর কথায়, "আমি চিরকালই মানুষের মাঝে থাকতে ভালোবাসি। বিরোধী রাজনীতি করতে যেমন সক্ষম ছিলাম। এখন রাজ্যের সরকারের যারা পরিচালনা করছেন, সেই দলের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের অভাব-অভিযোগ দূর করার চেষ্টা সেটা করব। সরকারের নীতির মাধ্যমেই সব হবে।" 


তিনি জানান অনেকেই এখানে শিক্ষা, জমি, স্বাস্থ্য সংক্রান্ত-সহ অন্যান্য সমস্যা নিয়ে এসেছেন। তিনি বলেন, 'শিক্ষা দফতর বর্তমানে মুখ্যমন্ত্রীর দেখছেন। শিক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলো মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের কাছে মাধ্যম হিসেবে পৌঁছে দেওয়ার কাজ করব।' এদিন শুধু শিলিগুড়ির মানুষ নয় অন্যান্য জেলা থেকেও মানুষজন আসে বিধায়ক শঙ্কর ঘোষের কাছে। তিনি বলেন, "আমি এটা শিলিগুড়ির মানুষের জন্য করেছিলায়, তবে আমি চেষ্টা করব যারা এসেছেন তাঁদের দাবী-দাওয়া পূরণ করতে; এখানে কোনও সীমারেখা নেই।"


একজন পুলিশ কর্মীকে এদিন বিধায়কের কাছে আসতে দেখা যায়। এই বিষয়ে শঙ্কর ঘোষ বলেন, "উনি এসেছেন ওনার কিছু সমস্যা আছে আমি পুলিশ দফতরকে নিশ্চিত ভাবে বলে দেব।" তিনি এও বলেন, "আইনের উর্ধ্বে আমি বা আমরা কেউ নই। হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, এই রাজ্যে শাসকের আইন চলে, আইনের শাসন চলে না। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত করা।"


বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ জানান, মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অভিযোগগুলি সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছে তুলে ধরা হবে এবং সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। ভবিষ্যতেও সময় ও সুযোগ অনুযায়ী এই ধরণের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার কথাও জানান তিনি।



No comments:

Post a Comment

Post Top Ad