কলকাতা: সন্ধ্যা থেকেই ঝড়-বৃষ্টি। এরই মাঝে রাতে কেঁপে উঠল উত্তরবঙ্গ। উত্তরবঙ্গের জেলায় জেলায় কম্পন অনুভব হয়েছে রবিবার রাতে। কেঁপে ওঠে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলা। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ৫.৪। আর শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্য জুড়ে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের জেরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র। ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আসেন মানুষজন।
প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল ভুটানের পুনাখা থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে। ২৫২ কিলোমিটার দূরে অসম থেকে। রবিবার রাত ১১টা ৬ মিনিটে নাগাদ কম্পন অনুভূত হয়। যার জেরে কেঁপে ওঠে কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার-সহ গোটা উত্তরবঙ্গ। ভূমিকম্প হয়েছে কলকাতাতেও। এছাড়াও বাংলাদেশ, নেপাল-সহ চিনেও এই ভূকম্পন অনুভূত হয়।
রবিবার সন্ধ্যা থেকেই টানা বৃষ্টি হচ্ছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে। তার মধ্যেই আমচকা ভূকম্পনে স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনেকেই ভয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মেলেনি। তবে, প্রশাসন পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। প্রবল বর্ষণের মধ্যেই ভূমিকম্পের জেরে সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হিমালয় সংলগ্ন অঞ্চল ভূমিকম্পপ্রবণ হওয়ায় ভুটান, সিকিম ও উত্তরবঙ্গে মাঝেমধ্যেই এমন কম্পন অনুভূত হয়।
উল্লেখ্য, চলতি বছর ফেব্রুয়ারি নাগাদ মারাত্মক ভূমিকম্প হয় কলকাতায়। দুপুর ১টা ২২ মিনিটে ভয়াবহ ভাবে ভূমিকম্পে দুলে ওঠে কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলা। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল বাংলাদেশের কাছাকাছি কোনও এলাকা।ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্পন কেন্দ্র থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক ভূকম্পন তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল প্রায় ৫.৫। খুলনা থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বাংলাদেশে ছিল এর উৎপত্তিস্থল।

No comments:
Post a Comment