নিজস্ব সংবাদদাতা, মালদা: নির্বাচনের পরেও চাঁচলে অব্যাহত কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব। জেলা সভাপতি সহ নেতৃত্বের সামনে দলীয় কার্যালয় দখল নিয়ে কংগ্রেস এবং বিক্ষুব্ধ কংগ্রেসীদের মধ্যে বাকবিতন্ডা এবং হাতাহাতিকে কেন্দ্র করে ছড়াল ব্যাপক উত্তেজনা। শনিবার সন্ধ্যায় চাঁচল তরলতলা মোড়ে কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয় দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
এদিন বিকেলে চাঁচলের একটি বেসরকারি হোটেলে প্রথমে কংগ্রেসের সাংগঠনিক বৈঠক হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা সভাপতি ঈশা খান চৌধুরী, প্রাক্তন সাংসদ মৌসম বেনজির নূর, প্রাক্তন বিধায়ক মোস্তাক আলম, আসিফ মেহেবুব-সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।বৈঠক শেষে কর্মীদের নিয়ে দলীয় কার্যালয়ে যান ঈশা- মৌসমরা। তখন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর কর্মীরাও। শুরুতে দু'পক্ষের মধ্যে তুমুল বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। তারপরেই শুরু হয় হাতাহাতি। যেখানে বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠীর এক কর্মীর নাক ফেটে যায় বলে অভিযোগ।
খবর পেয়ে চাঁচল থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়।পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে বৈঠক হলেও জট কাটেনি।
প্রসঙ্গত দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় নির্বাচনের প্রাক্কালে চাঁচলের প্রাক্তন বিধায়ক আসিফ মেহেবুব এবং প্রাক্তন ব্লক সভাপতি আনজারুল হক জনির অনুগামীদের মধ্যে। কংগ্রেসের একটা অংশ আসিফকে মানতে নারাজ হয়। তাঁদের সমর্থনে নির্দল হিসেবে নির্বাচনে লড়াই করেন আনজারুল হক। তারপরেই এদিন দলীয় কার্যালয় দখল নিয়ে দুই পক্ষের উত্তেজনা। আসিফ এবং বিক্ষুব্ধ গোষ্ঠী একে অপরের দিকে তুলেছে অভিযোগের আঙুল। যদিও সমগ্র ঘটনায় জেলা সভাপতির বক্তব্য, "দলের মধ্যে গণতন্ত্র রয়েছে, সকলের মতামত রাখতে পারে। কিন্তু অশান্তি কাম্য নয়। ব্যক্তি স্বার্থ থেকে দল আগে।"


No comments:
Post a Comment