ন্যাশনাল ডেস্ক, ১৪ জুলাই ২০২৬: পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র নয়। সম্প্রতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তথ্য দিয়েছিল। এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। তবে, মঙ্গলবার একটি প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, পাসপোর্টের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র ভারত ও অন্যান্য দেশের মধ্যে যাতায়াত করা লোকেদের রেগুলেশনের একটি নথি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, যাচাই প্রক্রিয়ার পরেই পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়। বর্তমানে মাত্র ৮ শতাংশ ভারতীয়ের কাছে পাসপোর্ট রয়েছে। ২৪শে জুন, পাসপোর্ট সেবা দিবসের সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা জানিয়েছিলেন যে এটি কেবল একটি ভ্রমণ নথি, নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি নয়।
এসআইআর প্রক্রিয়ার সময় নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য পাসপোর্ট দেখানো যাবে কিনা, এমন একটি প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রণালয়ের আধিকারিকরা এই বিবৃতি দেন। আধিকারিকরা জানান যে, এটি হতে পারে না। পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র নয় বরং এটি একটি ভ্রমণ নথি। এর মাধ্যমে অন্য দেশে ভ্রমণ করা যায়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই স্পষ্টীকরণ যথেষ্ট আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন যে, যদি পাসপোর্ট নাগরিকত্বের প্রমাণপত্র না হয়, তাহলে কোন নথিটি বিবেচনা করা উচিৎ। এই বিষয়টিও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
এর আগে আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড এবং প্যান কার্ড নিয়েও একই ধরণের কথা বলা হয়। তাই, এই আলোচনা উঠেছে যে, যদি পাসপোর্টও নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি না হয়, তাহলে কোনটিকে বিবেচনা করা উচিৎ। রাজনৈতিক দলগুলোও এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। উল্লেখ্য, ভারতে এমন কোনও একক নথি নেই, যা নাগরিকত্ব প্রমাণ করে।
রণধীর জয়সওয়াল বলেন, "পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৭-এর অধীনে ভারতীয় পাসপোর্ট জারি করা হয়। এর উদ্দেশ্য হল ভারতের বাইরে যাওয়া যাত্রীদের রেগুলেশন করা।" একটি সংবাদ সম্মেলনে তাঁকে এই নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেন যে, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৭ এবং পাসপোর্ট রুলস ১৯৮০-র অধীনে জারি করা হয়। এর একমাত্র উদ্দেশ্য হল ভারতের বাইরে অন্যান্য দেশে ভ্রমণ করা যাত্রীদের নিয়ন্ত্রণ করা।

No comments:
Post a Comment