ন্যাশনাল ডেস্ক, ২৪ আগস্ট ২০২৬: সরকারি হাসপাতালে বিধ্বংসী আগুন। মহারাষ্ট্রের অমরাবতীর সরকারি মহিলা হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডে ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সোমবার (২৪ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ঘটেছে ঘটনাটি। আগুনে পুড়ে তিন নবজাতকের ঝলসে মৃত্যু এবং আরও ছয়জন আহত হয়েছে। এনআইসিইউ-তে ভর্তি থাকা কিছু শিশুর হাত ও পায়েও পোড়া ক্ষত সৃষ্টি হয়।
আহত শিশুদের নিকটবর্তী অন্য একটি সরকারি সুপার-স্পেশালিটি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, ভোর সাড়ে ৩টার দিকে নিওন্যাটাল ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (এনআইসিইউ)-এর একটি ভেন্টিলেটর হঠাৎ বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। হাসপাতালের তৃতীয় তলায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে, যেখানে তিনটি কক্ষে ৩৯ জন নবজাতক ছিল। আগুন লাগার সাথে সাথেই কর্তব্যরত ডাক্তার, নার্স এবং কর্মীরা নবজাতকদের ভেন্টিলেটর থেকে বের করে আনেন।
পুলিশ ও হাসপাতাল প্রশাসন জানার চেষ্টা করছে কীভাবে আগুন লেগেছিল এবং কীভাবে ভেন্টিলেটরটি বিস্ফোরিত হয়েছিল। এই ভেন্টিলেটরগুলো কি নিয়মিত পরীক্ষা করা হতো না? এই কারিগরি ত্রুটি কি আগে থেকে অনুমান করা যেত? এই নিষ্পাপ শিশুদের মৃত্যুর জন্য কারা দায়ী, তা নির্ধারণ করতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ করছে।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অমরাবতী জেলা মহিলা হাসপাতালের তৃতীয় তলায় তিনটি কক্ষ রয়েছে যেখানে নবজাতকদের ভর্তি করা হয়। প্রতিটি কক্ষে ১৩ জন নবজাতকের চিকিৎসার ব্যবস্থা রয়েছে, অর্থাৎ সেখানে একবারে মোট ৩৯ জন নবজাতক ভর্তি থাকে। এই কক্ষগুলোর একটিতে আগুন লেগেছিল। সেই সময় এনআইসিইউ-তে মোট ১২ শিশু ছিল।
স্পেশাল নিউবর্ন কেয়ার ইউনিট (এসএনসিইউ)-তে অপরিণত, কম ওজনের এবং গুরুতর অসুস্থ শিশুদের চিকিৎসা করা হয়। এই এসএনসিইউ-টি মাত্র এক বছর আগেই খোলা হয়েছিল। আগুন লাগার পর হাসপাতালের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেন সক্রিয় করা হয়নি? এই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।


No comments:
Post a Comment