প্রতিবার একই রকম কাঢ়া? বন্দ নাক থেকে গলা ব্যথার জন্য এইভাবে বানালে উপকার - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Wednesday, August 19, 2026

প্রতিবার একই রকম কাঢ়া? বন্দ নাক থেকে গলা ব্যথার জন্য এইভাবে বানালে উপকার


লাইফস্টাইল ডেস্ক, ১৯ আগস্ট ২০২৬: কাঢ়া একটি ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক পানীয়। এটি ভেষজ এবং কিছু সাধারণ মশলা দিয়ে জল ফুটিয়ে তৈরি করা হয়। এটি সর্দি, কাশি, ফ্লু এবং গলা ব্যথা নিরাময়ে সহায়ক বলে প্রমাণিত। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও মজবুত করে। ঐতিহ্যগতভাবে, কাঢ়াতে তুলসী, আদা এবং গোলমরিচের মতো উপাদান ব্যবহার করা হয়, তবে একই উপাদান সব ধরণের রোগের জন্যই ব্যবহৃত হয় না। তিনটি রোগের জন্য কাঢ়া তৈরির উপাদান এবং এর উপকারিতা তুলে ধরা হল।


১) গলা ব্যথা

আবহাওয়া পরিবর্তনের সময় গলা ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবেলায় যষ্টিমধু এবং মৌরি সহায়ক হতে পারে। মৌরি এবং যষ্টিমধু কিছু মানুষের জন্য স্বস্তি দিতে পারে, বিশেষ করে যষ্টিমধু, যা ঐতিহ্যগতভাবে গলাকে আরাম দিতে ব্যবহৃত হয়। মৌরি হজমেও সাহায্য করে। যখনই আপনার গলা ব্যথা হবে, এই দুটি উপাদান দিয়ে একটি কাঢ়া তৈরি করুন। এর জন্য, গরম জলে আধা চা চামচ যষ্টিমধুর গুঁড়োর সাথে এক চা চামচ গুঁড়ো করা মৌরি মিশিয়ে নিন। ঢেকে ৫-৭ মিনিট ভিজিয়ে রাখুন, তারপর পান করুন।


২) কফ ও শ্বাসকষ্ট

কফ এবং শ্বাসকষ্ট সাধারণত শ্বাসনালীতে প্রদাহ বা জ্বালা এবং অতিরিক্ত শ্লেষ্মা তৈরির কারণে হয়ে থাকে। পিপ্পালি, আদা এবং মধু এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে উপকারী হতে পারে। পিপ্পালি বা পিপুল ও আদা গলাকে আরাম দেয় এবং উষ্ণ রাখে। এগুলো কাশি বা বুকে কফ জমার চিকিৎসায় উপকারী হতে পারে। এটি শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা থেকেও মুক্তি দেয়। তবে, মধুও কাশি থেকে মুক্তি দিতে পারে। এর জন্য, এক চিমটি পিপ্পালি এবং শুকনো আদা, মধুর সাথে মিশিয়ে পান করুন। এক বছরের কম বয়সী শিশুদের মধু না দেওয়ার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।


৩) নাক বন্ধ হওয়া এবং বর্ষাকালীন সর্দি

এই সমস্যা মোকাবিলা করতে, আজওয়ান ও গোলমরিচ মেশানো জল পান করুন। আজওয়ানতে থাইমলের মতো সুগন্ধি যৌগ থাকে, অন্যদিকে গোলমরিচে থাকে পাইপেরিন। ঐতিহ্যগতভাবে, সর্দি বা বুকে কফ জমার জন্য শরীর গরম রাখার প্রতিকার হিসেবে উভয়ই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এটি ব্যবহার করতে, এক কাপ জলে আধা চা চামচ আজওয়ান এবং ২-৩টি থেঁতো করা গোলমরিচ যোগ করে অল্প আঁচে ফুটিয়ে নিন। গরম থাকা অবস্থায় ধীরে ধীরে পান করুন।




বি.দ্র: এই প্রতিবেদন শুধুমাত্র সাধারণ তথ্যের উদ্দেশ্যে। এটি কোনও ভাবেই পেশাদার চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত যেকোনও প্রশ্নের জন্য সর্বদা একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad