২০২৯-এই হতে পারে 'এক দেশ এক নির্বাচন': শিবরাজ সিং চৌহান - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, August 24, 2026

২০২৯-এই হতে পারে 'এক দেশ এক নির্বাচন': শিবরাজ সিং চৌহান

 


ন্যাশনাল ডেস্ক, ২৪ আগস্ট ২০২৬: 'এক দেশ এক নির্বাচন' প্রসঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। বারবার নির্বাচনকে উন্নয়নের পথে বাধা হিসেবে বর্ণনা করেছেন তিনি। হরিদ্বারে সাধু-সন্তদের উদ্দেশ্যে আবেদন জানিয়ে শিবরাজ বলেন, একটি উন্নত ভারতের জন্য 'এক দেশ এক নির্বাচন' অপরিহার্য। 'এক দেশ এক নির্বাচন' ২০৩৪ সালে নয়, ২০২৯ সালেই হতে পারে। ২০২৯ সালে লোকসভা এবং ২২টি রাজ্যের নির্বাচন একই সাথে অনুষ্ঠিত হতে পারে।


উল্লেখ্য, হরিদ্বারে সন্ত সমাজের সমাবেশে 'এক দেশ এক নির্বাচন'-এর নিয়ে সংকল্পের পর এখন সবচেয়ে বড় গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ২০২৯ সালে লোকসভা এবং ২২টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন একই সাথে অনুষ্ঠিত হতে পারে। একটি ইংরেজি সংবাদপত্র দাবী করেছে যে, মোদী সরকার ২০৩৪ সালে নয় বরং ২০২৯ সালেই 'এক দেশ এক নির্বাচন' করার মেজাজে রয়েছে। এর জন্য প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে।


যে ২২টি রাজ্যে এই নির্বাচন নির্ধারিত রয়েছে, তার মধ্যে ১৬টিতে বর্তমানে এনডিএ সরকার রয়েছে‌ এবং ছয়টিতে ইন্ডিয়া জোটের সরকার রয়েছে। তবে, উত্তর প্রদেশ, গোয়া, গুজরাট, উত্তরাখণ্ড, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ এবং মণিপুরে তিন বছর আগেই নির্বাচন করতে হবে, কারণ এই রাজ্যগুলিতে ২০২৭ সালে নির্বাচন রয়েছে, যা ২০৩২ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য বৈধ। ২০২৯ সালে যদি নির্বাচন করতে হয়, তবে তা তিন বছর আগেই করাতে হবে।


এদিকে, কর্ণাটক, তেলেঙ্গানা, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং ত্রিপুরায় চার বছর আগেই নির্বাচন করাতে হবে, কারণ এই রাজ্যগুলিতে ২০২৮ সালে নির্বাচন রয়েছে, যা ২০৩৩ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরের জন্য বৈধ। এর মানে হল, চার বছর আগেই নির্বাচন করাতে হবে।


ভারতের জন্য এটি কোনও নতুন ধারণা নয়। স্বাধীনতার পর থেকে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত দেশে লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হতো। ১৯৫২, ১৯৫৭, ১৯৬২ এবং ১৯৬৭ সালে উভয় নির্বাচন একযোগে অনুষ্ঠিত হলেও, রাজ্য পুনর্গঠন ও অন্যান্য কারণে নির্বাচনগুলো ভিন্ন ভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হতে শুরু করে।



এসবের মাঝেই, 'এক দেশ, এক নির্বাচন' নিয়ে দিল্লী থেকে নতুন খবর আসছে। জেপিসি বৈঠক চলছে, যেখানে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, পি. চিদাম্বরম এবং সুরজেওয়ালার পাশাপাশি বেশ কয়েকজন কংগ্রেস নেতৃত্ব উপস্থিত আছেন। এনসিপি-র শরদ পাওয়ার, সাংসদ সুপ্রিয়া সুলেও বৈঠকে যোগ দিতে এসেছেন। পাশাপাশি, বৈঠকের আগে জেপিসি চেয়ারম্যান পি.পি. চৌধুরী বলেন যে, ইচ্ছা থাকলে সবকিছুই সম্ভব। সরকারের লক্ষ্য শুধু নির্বাচনের সংখ্যা কমানোই নয় বরং গণতন্ত্রকে আরও প্রভাবী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে তোলা।


উল্লেখ্য, রবিবার হরিদ্বারের অবধূত মণ্ডল আশ্রমে সাধুদের এক সমাবেশে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান এবং উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি অংশগ্রহণ করেন, যেখানে তাঁরা ‘এক দেশ, এক নির্বাচন’ প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন এবং শাসন ও উন্নয়নের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব তুলে ধরেন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad