"মারার আগে আমিই তাকে শেষ করেছি", খামেনেইয়ের মৃত্যু নিয়ে বড় দাবী ট্রাম্পের - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Monday, March 2, 2026

"মারার আগে আমিই তাকে শেষ করেছি", খামেনেইয়ের মৃত্যু নিয়ে বড় দাবী ট্রাম্পের



প্রেসকার্ড নিউজ ওয়ার্ল্ড ডেস্ক, ০২ মার্চ ২০২৬, ২১:০২:০২ : মার্কিন সামরিক অভিযানের নাম “অপারেশন এপিক ফিউরি”-এর প্রেক্ষাপটে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর মৃত্যুর দুই দিন পর এক বিস্ফোরক দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প বলেন, “সে আমাকে মারার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু আমি তার আগেই তাকে শেষ করে দিয়েছি। তারা দু’বার চেষ্টা করেছিল, আমি আগে আঘাত করেছি।” এই বক্তব্যে তিনি ইরানের পক্ষ থেকে তাঁর বিরুদ্ধে কথিত ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দেন।



ABC News-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প তাঁর দাবি যুক্ত করেছেন ২০২৪ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার এক মূল্যায়নের সঙ্গে, যেখানে ইরান-সংযুক্ত একটি সম্ভাব্য ষড়যন্ত্রের কথা বলা হয়েছিল। এর আগে ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন, ২০২০ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনে প্রভাব ফেলতেও ইরান চেষ্টা করেছিল।



এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা মহলে বড় প্রশ্ন উঠছে—ইরান, বিশেষ করে Islamic Revolutionary Guard Corps (IRGC), আদৌ কি কোনও বর্তমান বা প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে সরাসরি টার্গেট করার ক্ষমতা রাখে? এবং তা বাস্তবে কতটা সম্ভব?



খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর ট্রাম্প তাঁকে ইতিহাসের অন্যতম “ভয়ঙ্কর ব্যক্তি” বলে উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, খামেনেই ও তাঁর সমর্থকদের কর্মকাণ্ডে বহু নিরীহ মানুষ প্রাণ হারিয়েছে।



অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ব্যবস্থাগুলির মধ্যে একটি। কোনও অনুষ্ঠান বা সফরের আগে পুরো এলাকা সুরক্ষিত করা হয়, বহুস্তরীয় প্রতিরক্ষা বলয় গড়ে তোলা হয় এবং জরুরি প্রতিক্রিয়ার দল সর্বদা প্রস্তুত থাকে।



বিশেষজ্ঞদের মতে, অতীতে মার্কিন প্রেসিডেন্টদের জন্য হুমকি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসেছে ব্যক্তিগত বা গোপন হামলার মাধ্যমে—খোলাখুলি সামরিক আক্রমণের মাধ্যমে নয়। উদাহরণস্বরূপ, মার্কিন বিচার দপ্তর ফারহাদ শাকেরি নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনে, যাকে ইরানের সঙ্গে যুক্ত বলে দাবি করা হয়েছিল এবং যার বিরুদ্ধে ট্রাম্পকে হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ছিল। যদিও ইরান এই অভিযোগ অস্বীকার করে।



কৌশলগতভাবে, কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্টের উপর সরাসরি হামলা চালানো মানে বড় ধরনের যুদ্ধের ঝুঁকি তৈরি করা। তাই সাধারণত রাষ্ট্রগুলো এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলে।


No comments:

Post a Comment

Post Top Ad