শিওরে পুরভোট, শুভেন্দু-দিলীপ সহ এই ৪ নেতাকে সামনে রেখেই রণনীতি সাজাচ্ছে বিজেপি - Press Card News

Breaking

Post Top Ad

Post Top Ad

Friday, May 15, 2026

শিওরে পুরভোট, শুভেন্দু-দিলীপ সহ এই ৪ নেতাকে সামনে রেখেই রণনীতি সাজাচ্ছে বিজেপি

 


কলকাতা: বঙ্গে পদ্ম ফুটেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। আর এবারে আমজনতার সঙ্গে আরও মিলে কাজ কাজ করতে চাইছে পদ্ম শিবির। এক কথায় মাটির স্তরে কাজ করতে নতুন সংগঠন চাইছে বিজেপি। আর এই পথ মসৃণ করতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার ও রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকেই সামনে রাখতে চাইছে বিজেপি। কারণ, সামনেই ১২১টি পুরসভা ও ৭টি পুরনিগমের নির্বাচন রয়েছে। কাজেই সাংগঠনিকভাবে দলকে আরও সুশৃঙ্খল করতে দলগতভাবেও কর্মসূচি চলবে বঙ্গ জয়ের এই চার নেতার নেতৃত্বে। 


শুধু তাই নয়, বঙ্গ জয়ের পর আমজনতাকে ধন্যবাদ জানাতে জেলায় জেলায় অভিনন্দন কর্মসূচিও হবে। এরকমই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সেখানেও এই চার নেতাকেই সামনে রাখা হবে। পাশাপাশি ফলতায় পুনর্নির্বাচনকে সামনে রেখেও দু’দিন আগে বৈঠক হয়েছে সল্টলেকের দলীয় কার্যালয়ে। সেখানে শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। ফলতায় জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে সমস্ত রণকৌশল ঠিক করেছে পদ্ম শিবির। 


বঙ্গ জয় তো হয়েছে, এবারে বিধায়ক সংখ্যা বাড়ানোর লক্ষ্যে পদ্ম শিবির। যদিও শুভেন্দু ভবানীপুর আসনে শপথ নেওয়ায় নন্দীগ্রাম আসনে ফের পুনর্নির্বাচন হতে চলেছে। বিজেপি নেতৃত্বের দাবী, এই আসনটিতে ফের পদ্মফুলই ফুটবে। 


প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উত্তর থেকে দক্ষিণ ছুটে বেড়িয়েছেন শুভেন্দু, শমীক, সুকান্তরা। লড়াকু নেতা হিসাবে দলের কর্মীদের বঙ্গে মনোবল বাড়িয়েছেন শুভেন্দু। হাইভোল্টেজ ভবানীপুর আসনে হারিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো হেভিওয়েটকে। আবার নন্দীগ্রামেও শুভেন্দু অধিকারী জিতেছেন। দলে তাঁকে বলা হয় ‘জায়ান্ট কিলার’। আর শমীক ভট্টাচার্য পুরো দলকে সংঘবদ্ধ করেছেন।


অন্যদিকে, সুকান্ত মজুমদার সংগঠনকে বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন; জেলায় জেলায় ঘুরেছেন, সভা করেছেন। পাশাপাশি প্রথম দফার ভোট পর্যন্ত নিজের খড়গপুর কেন্দ্রে ব্যস্ত থাকলেও পরে বিভিন্ন প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারে নেমেছেন দিলীপ ঘোষও। শুভেন্দু-শমীক-সুকান্ত-দিলীপে তাই প্রবল আস্থা দিল্লীর শীর্ষ নেতৃত্বের।  


দলের সফলতম সভাপতি বলা হচ্ছে শমীককে। কারণ, তিনি দায়িত্ব পাওয়ার পরই বাংলার মসনদে বসেছে বিজেপি। দলের সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে তাঁর। সুকান্ত-দিলীপও তাই। আর শুভেন্দু অধিকারী তো এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গোটা রাজ্যবাসীর কাছে তাঁর জনপ্রিয়তা। তাই আগামীদিনে জেলায় জেলায় সংগঠনকে আরও দৃঢ় করতে এই চার নেতাকে সামনে রেখেই এগোতে চাইছে দিল্লী।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad